কাতারের উত্তর উপকূলের অদূরে বহুজাতিক একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য বিষয়ক সংস্থা ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানায়, বুধবার মদিনাত আশ শামাল থেকে ৯৪ কিলোমিটার (৫৮ মাইল) উত্তরে পারস্য উপসাগরের সমুদ্রসীমায় জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়। ইউকেএমটিও এ ঘটনায় সুনির্দিষ্ট হতাহতের সংখ্যা বা আক্রান্ত জাহাজটি কোন দেশের সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি, তবে ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত চলছে। কাতারও তাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলে ঘটা এই হামলার বিষয়ে এখনো মন্তব্য করেনি। ইউকেএমটিও এই ঘটনায় কতজন নিহত বা আহত হয়েছেন তা স্পষ্টভাবে জানায়নি, তবে কর্তৃপক্ষ ঘটনাটির তদন্ত চালাচ্ছে।
উপসাগরে উত্তেজনা ও বাণিজ্যিক পরিস্থিতি
বাণিজ্যিক নৌ পরিবহন সাময়িকী দ্য মেরিটাইম এক্সিকিউটিভ জানিয়েছে, পারস্য উপসাগরের মধ্যবর্তী বা পশ্চিমাংশে ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনা বেশ বিরল। ইউকেএমটিও উল্লেখ করেছে, চলতি মাসের শুরুতেই হরমুজ প্রণালিতে ৯টি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে, যা সেপ্টেম্বর মাসের মোট আক্রমণের প্রায় অর্ধেক। তথ্য সংস্থা কেপলারের মতে, এসব হামলা সত্ত্বেও গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি যুদ্ধপূর্ব গড়ে ১৮ মিলিয়ন ব্যারেল থেকে বৃদ্ধি পেয়ে দৈনিক ১৮ দশমিক ৩ মিলিয়ন ব্যারেলে পৌঁছেছে।
- গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১২৫টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করত।
- এই পথটি বিশ্বের অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ২০ শতাংশ সরবরাহ নিশ্চিত করত। তবে যুদ্ধের পর ইরান প্রণালীটি অবরুদ্ধ করে এবং ওয়াশিংটনও ইরানি বন্দরে অবরোধ বজায় রাখে।
- অন্য একটি সম্পর্কিত তথ্যে জানানো হয়েছে, ড্রাইভিং স্কুলের স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে কাতারের বড় পদক্ষেপের অংশ হিসেবে দেওয়া হলো ১ মাসের সময়সীমা।





