পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের মানুষ বর্তমান গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে চায়। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার যে গণতান্ত্রিক বাতাবরণ তৈরি করেছে, সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এখন মুক্তভাবে কর্মসূচি পালন করছে। কিন্তু এর মধ্যেই সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস, রেলওয়ে স্টেশনে হামলা এবং যানবাহন ও ট্রেনে আগুন দেওয়ার মতো ঘটনা জনমনে শঙ্কা তৈরি করছে।
রিজভী আরও অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে পরাজিত শক্তি নতুন করে সাহস পাচ্ছে। ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের ওপর অতীতে যারা গুলি চালিয়েছে কিংবা যারা অপরাধ ও নাশকতার সাথে জড়িত, তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থাকতে পারে না বলে তিনি দাবি করেন। একই সঙ্গে তিনি ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান। অন্য যেকোনো রাজনৈতিক দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা না দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, পরাজিত শক্তিকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া চলবে না।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়েও কথা বলেন রিজভী। তিনি উল্লেখ করেন, এবার প্রধানমন্ত্রী মাত্র ৩৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে জাতিসংঘে গেছেন, যেখানে অতীতে বড় প্রতিনিধি দল নিয়ে যাওয়ার নজির ছিল। জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, শান্তি, কূটনীতি, চুক্তি ও শিক্ষাকেই পরিবর্তনের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে সেখানে, যেখানে কোনো অস্ত্রের স্থান নেই। বিশ্বের সব দেশের স্বাধীনতা এবং ফিলিস্তিনের অধিকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন। সমাবেশে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বড় বড় প্রতিনিধিদল নিয়ে নিউইয়র্কে যাওয়া হতো বলেও তিনি উল্লেখ করেন।





