ক্রিকেটারদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে ঘরোয়া ক্রিকেটের বিভিন্ন সংস্করণে ম্যাচ ফি দ্বিগুণ করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আজ মিরপুরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি জানান, এই পরিবর্তনের ফলে একজন ক্রিকেটার বছরে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।
অ্যাডহক কমিটির দায়িত্ব গ্রহণের পর গত মে মাসে তামিম প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ম্যাচ ফি ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করেছিলেন। মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে তা আরও বৃদ্ধি করে দেড় লাখ টাকা করা হয়েছে। তবে এই বর্ধিত ফি ঢাকার ক্লাব ক্রিকেটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া বিসিবির নিজস্ব টুর্নামেন্ট এনসিএল ও বিসিএলের একদিনের সংস্করণে এতদিন ক্রিকেটাররা ৫০ হাজার টাকা করে ম্যাচ ফি পেতেন, যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখে। পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ৪০ হাজার টাকার ম্যাচ ফি বাড়িয়ে ৮০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সম্প্রতি ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের সঙ্গে বিসিবির এক বৈঠকে এই ম্যাচ ফি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে বিপিএল নিয়ে বোর্ডের কঠোর অবস্থানের কারণে ক্রিকেটারদের আয়ের যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তা পুষিয়ে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিসিবি সভাপতি স্পষ্ট করেছেন যে, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কোনো জোড়াতালির বিপিএল আয়োজন করবে না বোর্ড।
ভবিষ্যতে ম্যাচ ফি আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা খোলা রেখেছেন তামিম। তিনি বলেন, দুই বছর পর বোর্ডের আর্থিক অবস্থা পর্যালোচনা করে আয় বাড়লে ম্যাচ ফি আবারও বাড়ানো হবে। তবে এই সুযোগ-সুবিধার বিনিময়ে ক্রিকেটারদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব প্রত্যাশা করছেন তিনি। তামিম সতর্ক করে দিয়ে বলেন, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ফিটনেস টেস্টে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যারা নিয়ম মেনে ফিটনেস প্রমাণ করতে পারবে না, তাদের অনুরোধ কোনোভাবেই গ্রহণ করা হবে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভবিষ্যতে ম্যাচ ফি আরও বাড়ানোর ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি, ‘আজ থেকে ২ বছর পর যখন এটাকে আবার রিভিউ করব, বিসিবির অবস্থান যদি ভালো থাকে, আয় যদি আরও বাড়ে আমরা এটাকে আরও বাড়াব।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কিন্তু বিপিএল না হওয়া মানে ক্রিকেটারদের আয়–রোজগারও কমে যাওয়া।





