
যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের যেকোনো বড় ধরনের নতুন হামলার বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা উচ্চারণ করেছে ইরান। রবিবার দেশটির সামরিক কেন্দ্রীয় কমান্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তেহরানের কাছে মার্কিন বাহিনীর নতুন হামলার প্রস্তুতির তথ্য রয়েছে। এ ধরনের কোনো হামলা চালানো হলে মার্কিন ঘাঁটি ও তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ধারাবাহিক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তবে আসন্ন এই কথিত হামলা সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এর আগে শনিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যে অপ্রত্যাশিত উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কার কথা জানিয়ে একটি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে। পরিস্থিতি বিবেচনায় মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকা, ফ্লাইটের শিডিউল পরিবর্তন এবং আকাশপথের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে ওয়াশিংটন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে চলমান উত্তজনা কমাতে ও আলোচনার পথ প্রশস্ত করতে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তিনটি শর্ত পাঠিয়েছে ইরান। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসেন রেজাই জানান, এই শর্তগুলো ইতোমধ্যে ওয়াশিংটনে পাঠানো হয়েছে এবং এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে তেহরান। তাদের শর্তগুলো হলো—সব ফ্রন্টে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, ইরানের জব্দকৃত অর্থ ও সম্পদ অবমুক্ত করা এবং দেশটির ওপর থেকে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করা।
মহসেন রেজাই আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই পরোক্ষ যোগাযোগ তাদের নিজেদের স্বার্থেই ইতিবাচক হবে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি দিয়ে কোনো কাজ হবে না। যদি আলোচনা ব্যর্থ হয়, তবে ইরান চূড়ান্ত যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি হুশিয়ারি দেন। রেজাইয়ের মতে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করেছেন এবং মার্কিন বিমান হামলা মোকাবিলায় আগের চেয়ে বেশি সক্ষমতা অর্জন করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর কাছাকাছি ইরান জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০