সম্মেলন ঘিরে নিরাপত্তা সংক্রান্ত জরুরি তথ্য
- নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য: এনএসজি-র ১০০ জনেরও বেশি কমান্ডো
- নিরাপত্তা পরিধি: ১১টি হোটেল ও ৩৫টি প্রধান সড়ক
- সতর্কতা ব্যবস্থা: দিল্লি পুলিশের ১০০টিরও বেশি প্রশিক্ষিত কুকুর
- অন্যান্য ব্যবস্থা: আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ ও ড্রোনবিরোধী প্রযুক্তি
ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে অবস্থান করছেন বিশ্বনেতারা। এর মধ্যে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীতে তৈরি করা হয়েছে নজিরবিহীন ও জটিল এক সুরক্ষা কাঠামো। বিদেশি নেতাদের নিজস্ব নিরাপত্তা দলের সঙ্গে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে এই বহুমাত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন তার বিশেষায়িত ‘অরাস সেনাট’ লিমুজিন গাড়িতে করে চলাফেরা করছেন, যা ‘চাকার ওপর দুর্গ’ হিসেবে পরিচিত। রাশিয়ার ফেডারেল গার্ড সার্ভিসের (এফএসও) সরাসরি তত্ত্বাবধানে তার নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মীরা হোটেল থেকে শুরু করে সব জায়গায় কঠোর নজরদারি রাখছেন। এর ওপর ভারতের নিজস্ব নিরাপত্তা স্তরের আবরণ রয়েছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও তার কঠোর প্রটোকল ও নিরাপত্তা বহর নিয়ে এসেছেন। তার অবস্থানের হোটেলটির নিচতলা থেকে ছাদ পর্যন্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। দিল্লির পুলিশের স্পেশাল সেল তার সার্বক্ষণিক সুরক্ষায় কাজ করছে। সম্ভাব্য রাসায়নিক, জৈবিক বা পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় বিশেষ পরীক্ষাও চালানো হয়েছে। এছাড়া তিনি তার রাষ্ট্রীয় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সাঁজোয়া লিমুজিন ব্যবহার করছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নিরাপত্তার মূল দায়িত্বে রয়েছে স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (এসপিজি)। আইন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন, কার্যালয় কিংবা যেকোনো সফরকালে এসপিজি ‘জিরো এরর’ বা কোনো ভুল না করার নীতি অনুসরণ করে থাকে। ঘনিষ্ঠ বলয় থেকে শুরু করে বিচ্ছিন্নকরণ কর্ডন—সবক্ষেত্রেই তারা অত্যন্ত সতর্ক।
পুরো দিল্লি শহরজুড়ে কয়েক হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। ভারত মণ্ডপম ও গুরুত্বপূর্ণ হোটেলগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এনএসজির কমান্ডোদের পাশাপাশি দিল্লি পুলিশের ১০০টির বেশি প্রশিক্ষিত কুকুর নাশকতা রোধে কাজ করছে। নেতাদের যাতায়াতের পথে একাধিকবার মহড়া চালানো হয়েছে এবং হোটেল কর্মীদের পরিচয়পত্র যাচাই থেকে শুরু করে অতীতের রেকর্ড পর্যন্ত পরীক্ষা করা হয়েছে।
এই সম্মেলনের নিরাপত্তায় প্রতিটি বিদেশি নেতার ব্যক্তিগত পছন্দ ও প্রটোকলকে ভারতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করতে হচ্ছে। সাঁজোয়া গাড়ি বা দেহরক্ষীদের দৃশ্যমান উপস্থিতির বাইরে আকাশপথের নিরাপত্তা এবং রাজধানীর প্রতিটি সড়ককে নজরদারির আওতায় এনে একটি সমন্বিত ও কঠোর বলয় তৈরি করা হয়েছে, যা যেকোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলনের তুলনায় আলাদা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মানবতাবিরোধী অপরাধ: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসির আদেশ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৩০ বছর পর বার্সেলোনার মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ঢাবিতে মেট্রোর তারে কাপড়, ৪০ মিনিট মতিঝিল-উত্তরা ট্রেন চলাচল বন্ধ। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ‘মেয়াদ শেষে পিটিয়ে বের করে দেবো’, চবি হল সংসদ ভিপিকে ছাত্রদল নেতার হুমকি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশ্বের সবচেয়ে কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত তিন নেতা এখন ভারতের নয়াদিল্লিতে একই নিরাপত্তাবলয়ের মধ্যে রয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সম্মেলনের প্রস্তুতি সম্পর্কে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের (এনএসজি) ১০০ জনেরও বেশি কমান্ডো দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রাশিয়ার অরাসের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ও বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সফরে প্রেসিডেন্টের যাতায়াতে এই গাড়ি ব্যবহার করা হয়।





