সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি
- প্রধানমন্ত্রী: প্রত্যেক শিশুকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে।
- সিপিজে: রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার দ্রুত স্বচ্ছ তদন্ত ও বিচার দাবি।
- ডেঙ্গু পরিস্থিতি: হাসপাতালে শয্যা বৃদ্ধির নির্দেশ ও ফিল্ড হাসপাতাল খোলার পরিকল্পনা।
- প্রয়োজনীয় পণ্য: গ্যাস সিলিন্ডার সংকট ও সরকারি দামের অসংগতি নিয়ে ক্ষোভ।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ব্লকের সংসদ সদস্যরা। মঙ্গলবার সংসদ ভবন থেকে নির্বাচন কমিশন অব ইন্ডিয়ার (ইসিআই) সদর দপ্তরের দিকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। মিছিল থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে এই মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল। বিরোধীদের অভিযোগ, এই সংশোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নাগরিকদের ভোটাধিকার খর্ব হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯টি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত জোটের এক বৈঠকে এই প্রতিবাদ কর্মসূচির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।
মিছিলটিকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন ও নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের আশেপাশে কঠোর নিরাপত্তাবলয় তৈরি করা হয়। বিভিন্ন মোড়ে ব্যারিকেড বসানোর পাশাপাশি মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও নিরাপত্তা সদস্য। আকাশবাণী ভবন ও নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের চারপাশের এলাকায় র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের (আরএএফ) সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা গেছে। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মিছিলকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবন ও নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের আশপাশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন স্থানে কয়েকশ বিক্ষোভকারীকে আটকের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কেও সিইসির পদত্যাগ দাবিতে অনুরূপ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। এছাড়া, এসআইআর সংক্রান্ত উদ্বেগের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য বিরোধী জোটের নেতারা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
তালিকায় আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে রয়েছে ২০২৪ সালে তৎকালীন বাংলাদেশের পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে দীনেশ ত্রিবেদীর মন্তব্য এবং বাংলাদেশি পাটপণ্যে ভারতের নতুন অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপের বিষয়টি। ২০২৪ সালে হাসিনাকে গ্রহণ করা ছাড়া ভারতের উপায় ছিল না: দীনেশ ত্রিবেদী।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- ‘সিলিন্ডারই তো পাই না, সরকারি রেট শুধু সরকারের কাছেই’।






