
বর্তমান সময়ের তারকারা এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির কল্যাণে ফিরে যাচ্ছেন চার দশক আগের সেই সোনালী অতীতে। আশির দশকের সাজসজ্জা ও আবহে নিজেদের নতুন রূপে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক দারুণ নস্টালজিক ট্রেন্ড তৈরি করেছেন তারা। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে পোশাক ও ছবির ধরনে যে বিবর্তন এসেছে, এআইয়ের মাধ্যমে তা মিলিয়ে দেখে নেটিজেনদের মাঝেও ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
এই ট্রেন্ডে অংশ নিয়েছেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। নিজের রেট্রো লুকের একটি ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, “ট্রেন্ড”। একই পথে হেঁটেছেন চিত্রনায়িকা তমা মির্জাও; তিনি নিজের ছবি পোস্ট করে জানিয়েছেন, “ট্রেন্ড অনুসরণ করছি।” ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব যেন সেই সময়ের কোনো এক বিকেলে হারিয়ে গেছেন। নিজের রেট্রো লুকের ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, “আশির দশকের কোনো এক বিকেল থেকে।”
অভিনেত্রী সাফা কবীরও এই ট্রেন্ডে নিজের উপস্থিতি জানান দিয়েছেন। তিনি আশির দশকের আবহে তৈরি একটি ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, “আশির দশকের উন্মাদনা এখন পুরো ইন্টারনেটজুড়ে, আর চরকি বিষয়টিকে এত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছে! আশির দশকের লুকে ডা. ইরিনকে কেমন লাগছে?” তার এই পোস্টে মন্তব্য করে তাসনিয়া ফারিণ লিখেছেন, “ভালোই হতো।”
সংগীতশিল্পী পড়শী এআইয়ের সাহায্যে নিজেকে চার দশক আগের সময়ে কল্পনা করে লিখেছেন, “১৯৮০ সালে যদি থাকতাম, তাহলে মনে হয় এমন থাকতাম।” অন্যদিকে, গায়ক প্রতীক হাসান পরিবারের সঙ্গে একটি রেট্রো লুকের ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে লিখেছেন, “পারফেক্ট”। অভিনেত্রী স্পর্শিয়াও এই নস্টালজিক ঢেউয়ে শামিল হয়ে লিখেছেন, “80s”।
তবে এই ট্রেন্ড নিয়ে মজার পর্যবেক্ষণও দিয়েছেন অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। এআই দিয়ে তৈরি নিজের ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, “কিন্তু আমার কথা হল ওই আমলে কি সবার একই জ্যাকেট ছিল? ছেলে মেয়ে সবাইকে দেখি সেম জ্যাকেট পড়াচ্ছে।”
সব মিলিয়ে, এআই প্রযুক্তির হাত ধরে আশির দশকের সেই সাজ, পোশাক আর ছবির আবহ এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে জায়গা করে নিয়েছে। তারকারা যেন নিজেদেরই এক নতুন সংস্করণ আবিষ্কার করছেন, যা ভক্তদের মাঝে পুরোনো সময়ের প্রতি এক ধরনের নস্টালজিক অনুভূতি তৈরি করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০