
ইউএস ওপেনের শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়লেন যুক্তরাষ্ট্রের তরুণ টেনিস সেনসেশন বেন শেলটন। আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর সেমিফাইনালে নিজের স্বদেশী ফ্রান্সিস টিয়াফোকে ৪-৬, ৬-৩, ৬-৩, ৭-৫ সেটে পরাজিত করে এই সাফল্য অর্জন করেন অষ্টম বাছাই শেলটন। চার সেটের এই লড়াইয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেন ২৩ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়। ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত শেলটন তার এই জয়টি দাদিকে উৎসর্গ করে বলেন, তার দাদিই বাবাকে টেনিস খেলার সুযোগ করে দিয়েছিলেন, যার ফলে আজ তার পক্ষে এই মঞ্চে আসা সম্ভব হয়েছে। এই সাফল্য তার কাছে অত্যন্ত আবেগের একটি মুহূর্ত বলেও জানান তিনি।
ফাইনালে শেলটনের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছেন শীর্ষ বাছাই আলেকজান্ডার জভেরেভ। সেমিফাইনালে রাশিয়ার কারেন খাচানোভকে ৬-৩, ৭-৬ (৯-৭), ৭-৬ (৮-৬) সেটে হারিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো কোনো গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনালে নাম লেখালেন এই জার্মান তারকা। চলতি বছর ফ্রেঞ্চ ওপেন জয়ের পর এবার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় মেজর ট্রফি জয়ের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। ম্যাচ জয়ের পর জভেরেভ রসিকতা করে বলেন, টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ডের পর রাত ৩টার দিকে লকার রুমে নিজের বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে দলের সঙ্গে হাসাহাসি করেছিলেন, যা তাকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে।
আগামী রবিবারের ফাইনালে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে কোর্টে নামবেন শেলটন। এর আগে পাঁচবার মুখোমুখি হয়ে প্রতিবারই জভেরেভের কাছে পরাজিত হয়েছেন এই আমেরিকান। তবে দেশের মাটিতে দর্শকদের অসামান্য সমর্থন আর দারুণ আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। ২০০৩ সালে অ্যান্ডি রডিকের পর কোনো আমেরিকান পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ওপেনের ট্রফি জয় করতে পারবেন কি না, সেটিই এখন ক্রীড়াঙ্গনের মূল আলোচনার বিষয়। সমর্থকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে শেলটন বলেন, ফাইনালে তার শক্তির বড় উৎস হবে দর্শকদের সমর্থন। দেশের জন্য ট্রফিটি জিততে তিনি কোর্টে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
টুর্নামেন্টে অন্যান্য ইভেন্টের মধ্যে মেয়েদের ডাবলসে ইতিহাস গড়েছেন টেলর টাউনসেন্ড ও ক্যাটেরিনা সিনিয়াকোভা, যার মাধ্যমে তাদের ক্যারিয়ার গ্র্যান্ড স্লাম পূর্ণ হয়েছে। এছাড়া পুরুষদের ডাবলসে হিউয়েট ও রিড জুটি টানা ষষ্ঠবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র ওপেনের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই অবস্থানে পৌঁছাতে আমার বাবা-মা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চলতি বছরের শুরুতে আমার দাদি মারা গেছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাকে ছাড়া আজ এখানে বেন শেলটনের উপস্থিতি অসম্ভব ছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমি কোর্টে সবকিছু উজার করে দেব, আশা করি আপনারা পাশে থাকবেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০