
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ছিল অভাবনীয়, যা ম্যাচের আগে কল্পনা করাও কঠিন ছিল। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে ৯ উইকেটের ঐতিহাসিক জয়টি বিস্মিত করেছে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার মার্ক ওয়াহকে। ফক্স ক্রিকেটে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় ওয়াহ বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তার দেখা সবচেয়ে বড় অঘটন সম্ভবত এটিই। ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমেই এমন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ, যা ক্রিকেট বিশ্বে বড় আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ওয়াহ এই জয়কে ওয়েস্ট ইন্ডিজের গাব্বায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাওয়া জয়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তবে তার মতে, বাংলাদেশের এই জয়টি আরও বেশি চমকপ্রদ। এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সেরা দুই পেসার নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলাম এই ম্যাচে খেলছেন না। এছাড়া র্যাঙ্কিংয়ের বড় ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়া তাদের পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে মাঠে নেমেছিল। এসব বিবেচনায় এই জয়কে তিনি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন।
ম্যাচের আগে বাংলাদেশের প্রস্তুতি মোটেও আশাব্যঞ্জক ছিল না। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়েছিল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তবে মূল টেস্টে ঘুরে দাঁড়িয়েছে তারা। ম্যাচের প্রথম দিনেই অস্ট্রেলিয়াকে মাত্র ১৯৮ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ। এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪২৬ রান সংগ্রহ করে ২২৮ রানের বিশাল লিড নেয় সফরকারীরা। দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যামেরন গ্রিন ১০৪ রানের লড়াকু সেঞ্চুরি করলেও অস্ট্রেলিয়া শেষ পর্যন্ত ২৮৪ রানে অলআউট হয়ে যায়।
জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৫৭ রান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তানজিদ হাসান দ্রুত আউট হলেও সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক আর কোনো বিপদ হতে দেননি। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। এই জয়টি কেবল একটি ম্যাচ জয় নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের জন্য এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তাই এই জয়টা সত্যিই বড়,’ বলেন ওয়াহ।
শুরুতে অবশ্য তাদের নিয়ে এমন প্রত্যাশা ছিল না।
সেই দলই টেস্টে মাঠে নেমে পুরো চিত্রটাই বদলে দেয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০