জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘মেঘদল’-এর গিটারিস্ট ও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার রাশিদ শরীফ শোয়েব বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ডেঙ্গু জ্বরের পাশাপাশি ডায়াবেটিসসহ নানা জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন তিনি। টানা সাতদিন হাসপাতালে কাটিয়ে শারীরিক পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সংগীতশিল্পী লিখেছেন, অবস্থা বেশ ভয়াবহ, আর কবে বাসায় ফিরতে পারবেন তা নিশ্চিত নয়। এ সময় তিনি ভক্তদের কাছে দোয়ার আবেদনও জানিয়েছেন।
অসুস্থতার এই কঠিন সময়ে শোয়েব নিজের চরম আর্থিক সংকটের কথা জানিয়েছেন। তার দাবি, ২০১১ সালে নিকেতনে সংগীত ও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজ শুরুর পর থেকে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। তবে কাজের পরিধি বাড়লেও সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও পরিচালকদের কাছ থেকে সময়মতো পারিশ্রমিক পাননি। তার সরলতার সুযোগ নিয়ে অনেকেই বকেয়া পাওনা আটকে রেখেছেন। এর ফলে স্টুডিও আপগ্রেড করার পর এখন নিজের চিকিৎসার খরচ জোগাতে মায়ের জমানো সঞ্চয়পত্র ভাঙতে বাধ্য হচ্ছেন তিনি।
ইন্ডাস্ট্রির এমন পরিস্থিতির সমালোচনা করে শোয়েব একে ‘বীভৎস বাস্তবতা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বর্তমানে পাওনাদারদের কারোরই নাম প্রকাশ করেননি, তবে সংশ্লিষ্টদের অক্টোবরের শুরু পর্যন্ত সময় দিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্টরা ফাইলগুলো দেখে সসম্মানে পাওনা অর্থ পরিশোধ করবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া না পেলে তিনি পরবর্তীতে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
উল্লেখ্য যে, রাশিদ শরীফ শোয়েব দীর্ঘ সময় ধরে সংগীতাঙ্গনে কাজ করছেন। ‘হাওয়া’, ‘স্বপ্নজাল’ এবং ‘রইদ’-এর মতো জনপ্রিয় ও আলোচিত সিনেমার সাউন্ড ডিজাইন ও সংগীতের নেপথ্যে কাজ করেছেন তিনি। বর্তমানে তার এই সংকটের খবর শুনে সংগীতপাড়ায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, “অবস্থা ভয়ানক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই ইন্ডাস্ট্রি তার ট্যালেন্টদের যে জায়গায় রাখে, এই হচ্ছে তার নমুনা। ”। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তার ভাষ্য, “আমি এই পোস্টে এখনই কাউকে মেনশন করছি না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ধুলো পড়া ফাইলগুলো বের করে হালনাগাদ করে অক্টোবরের শুরুতে স্টুডিওতে চা খেয়ে যান।

