আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা বিষয়ক মূল তথ্য
- আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার মূল কারণ: ইসরায়েলের দখলদারত্ব।
- দায়বদ্ধ দেশসমূহ: সৌদি আরব, তুরস্ক, পাকিস্তান ও মিসর।
- মূল সমাধান প্রস্তাব: ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ও পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করা।
- কূটনৈতিক সমর্থন: জুন মাসে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্পাদিত ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক।
- সমালোচিত পক্ষ: ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা: মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি।
ইস্তাম্বুলে চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে অঞ্চলজুড়ে অস্থিরতার জন্য ইসরায়েলের নীতিকে দায়ী করা হয়েছে। বৈঠক শেষে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েলের কর্মকাণ্ড বিশ্বজুড়ে মানুষের মধ্যে গভীর অন্যায়বোধ ও অসন্তোষ সৃষ্টি করছে। ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে তারা অটল থাকার কথা পুনরুল্লেখ করেছেন। ‘বট’ দিয়ে টিকিট কেটে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ, রেলওয়ের নজরদারিতে ‘সহজ’।
ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে বাড়তে থাকা যুদ্ধের উত্তেজনা নিরসনে তারা সংলাপ ও কূটনীতির ওপর জোর দিয়েছেন। বিশেষ করে গত জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তারা টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান খোঁজার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করারও আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে ইয়েমেনভিত্তিক হুতি বিদ্রোহীদের সৌদি আরব ও ইয়েমেনে হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। হুতিদের সামরিক আগ্রাসন বন্ধ করে আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এ সময় লোহিত সাগর, বাব আল-মান্দেব ও হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক নৌচলাচল নিরাপদ রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএর বরাতে দ্য টাইমস অব ইসরায়েল ও আরব নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান ইস্তাম্বুলে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সাথে আলাদা বৈঠক করেন।
সেখানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, ইয়েমেন পরিস্থিতি এবং নৌ-স্বাধীনতার বিষয়ে আলোচনা হয়।
উল্লেখ্য, গত আগস্টে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে সই হওয়া মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, যেকোনো এক দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
হুতি হামলার মুখে পাকিস্তান সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে এবং দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানিয়েছেন, সৌদি রক্ষায় ইসলামাবাদ যেকোনো প্রয়োজনে প্রস্তুত।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- মার্কিন কর্মকর্তাদের হত্যার পরিকল্পনা করছে ইরান, দাবি গোয়েন্দাদের।
- ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারবেন তো পিএসজির ফুটবলাররা।
- ব্যক্তিগত জীবনে যেভাবে নীরবে দূরত্ব তৈরি করছে ক্রমাগত স্ক্রলিং।
- আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ ইসরায়েল: সৌদি, পাকিস্তানসহ ৪ দেশ।






