অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজ খেলতে গিয়ে হোয়াইটওয়াশের শিকার হয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। সিরিজের শেষ ম্যাচে ১৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেট হাতে রেখে অনায়াস জয় নিশ্চিত করে। জয়ের পর দুই দলের অধিনায়ক ও খেলোয়াড়রা যৌথভাবে ছবি তুলে সিরিজটিকে স্মরণীয় করার চেষ্টা করেন। অজি অধিনায়ক তাহলিয়া ম্যাকগ্রাথ স্বয়ং নিগার সুলতানা জ্যোতিকে ডেকে নিয়ে এই সৌজন্যমূলক ফটোসেশনে শামিল করেন। বাংলাদেশ অধিনায়কের পর একে একে স্কোয়াডের বাকি সদস্যরা যোগ দিলেন ফ্রেমে। কিন্তু ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে চ্যালেঞ্জিং স্কোর করতে পারেনি টাইগ্রেসরা। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার সর্বোচ্চ ইনিংস।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামা টাইগ্রেসরা ফের ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। দলীয় ১৮ রান তুলতেই তিন ব্যাটার সাজঘরে ফিরে যান। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকানো সোবহানা মোস্তারি ৯ এবং অধিনায়ক জ্যোতি ৩ রান করে আউট হন। টপঅর্ডারের ব্যর্থতার দিনে শারমিন আক্তার ও স্বর্ণা আক্তার দলের হাল ধরেন। শারমিন ৯৩ বলে ৮ চারে ৫০ রান এবং স্বর্ণা ৭১ বলে ৪টি বাউন্ডারিতে ক্যারিয়ার সেরা ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া রাবেয়া খান ও অভিষিক্ত দিশা বিশ্বাস দুজনেই ১৩ রান করে সংগ্রহ করেন। অস্ট্রেলিয়ার পেসার মেগান শুট একাই বাংলাদেশের ৪টি উইকেট শিকার করেন। ১৭২ রানের মধ্যে ১০৪ রান এসেছে দুই ব্যাটার শারমিন আক্তার ও স্বর্ণা আক্তারের উইলো থেকে। পুরো ইনিংসে মাত্র চার ব্যাটার দুই অঙ্ক ছুঁতে পেরেছেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়া শুরুতেই চাপে পড়েছিল। ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারানো স্বাগতিকরা ৩৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায়। অভিষিক্ত দিশা বিশ্বাস ওপেনার বেথ মুনিকে আউট করেন। তবে এরপর এলিস পেরি ও অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন। পেরি ৬৪ বলে ৮ চারে ৬৫ এবং সাদারল্যান্ড ৫২ বলে ১২ চারে অপরাজিত ৭৪ রান করেন। তাদের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ১৬৪ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া। ওপেনিংয়ে মুর্শিদা ও সানজিদা আবারো ব্যর্থ।






