সাম্প্রতিক ঘটনাবলি ও সংবাদের শিরোনাম
- প্রথম আলো ও আগুন ঠেকাতে অন্তর্বর্তী সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মতিউর রহমান।
- নীতি নির্ধারকদের ইঙ্গিত ছাড়া আখতারুজ্জামানের ওপর এমন জুলুম সম্ভব নয় বলে দাবি করেছেন পরওয়ার।
- এ মাসের শেষ নাগাদ কিয়েভ-মস্কো-ওয়াশিংটন আলোচনার পরিকল্পনা রয়েছে।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের হামলায় প্রতিনিধিসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
- লালন মাজারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ এবং গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
- রাশিয়াকে সহায়তাকারী দেশগুলোর ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প।
- রাশিয়া দাবি করেছে, তারা রাতভর ৬৬০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংস করেছে।
সাড়ে চার বছর ধরে চলমান যুদ্ধ নিরসনের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে নতুন করে আলোচনার আয়োজন করতে চাচ্ছে। দেশটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, অক্টোবরের শেষ নাগাদ এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে পারে। রবিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রাতভর ৬৬০ ইউক্রেনীয় ড্রোন ধ্বংসের দাবি রাশিয়ার। অপরদিকে ইউক্রেন বলছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে বিমান হামলা আরও জোরদার করেছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্কে ভাটার টান।
জেলেনস্কি সাংবাদিকদের জানান, মার্কিন পক্ষ বর্তমানে ইউক্রেন ও রাশিয়ার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে। অক্টোবরের শেষ দিকে তিন পক্ষের অংশগ্রহণে কারিগরি পর্যায়ের একটি বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। শনিবার শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে যাওয়া মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন উল্লেখ করে তিনি জানান, নির্ধারিত এই সময়সূচিতে তিনি সম্মতি জানিয়েছেন।
বৈঠকের স্থান সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনো তথ্য না দিলেও জেলেনস্কি জানিয়েছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত অন্য কোনো দেশে আলোচনার আয়োজনে তাদের আপত্তি নেই। এর আগেও রুশ আগ্রাসন থামাতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আমিরাতে শান্তি আলোচনার আয়োজন করা হয়েছিল। রাশিয়াকে সহায়তা করলেই ১০০ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা ট্রাম্পের, ঝুঁকিতে কোন কোন দেশ। সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ওয়াশিংটনের মনোযোগ সরে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন শান্তি প্রচেষ্টা অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়ে।
গত মাসে ক্রেমলিন জানিয়েছিল, যুদ্ধের ইতি টানতে অক্টোবরে তিন পক্ষের আলোচনার সম্ভাবনা তারা উড়িয়ে দিচ্ছে না। তবে আগের দফাগুলোতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি, কারণ যুদ্ধ বন্ধের ক্ষেত্রে মস্কো তাদের কঠোর শর্ত থেকে সরে আসতে রাজি হয়নি। এদিকে, ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় তারা ভারত থেকে পেট্রোল আমদানি করছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে পুতিনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জেলেনস্কি।






