দুবাইভিত্তিক এয়ারলাইন ফ্লাইদুবাই ইসরায়েলের সাথে তাদের সব ধরনের ফ্লাইট কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে। দুবাই থেকে তেল আবিবগামী একটি ফ্লাইটের ককপিটে দুই পাইলটের মধ্যে সংঘর্ষ এবং ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবারের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর বিমানটি সৌদি আরবে জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়।
এয়ারলাইনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, বুধবারের এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলগামী সব ফ্লাইট কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তিনি বলেন, যাত্রীদের নিরাপত্তা, কর্মীদের সুরক্ষা এবং সামগ্রিক কার্যক্রমের বিষয়টি আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন ঘটনার প্রকৃত রহস্য উন্মোচন করতে পারে, সেজন্য সাময়িকভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক্সপ্লেইনার / কী আছে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে সই হওয়া পারমাণবিক সমঝোতা স্মারকে।
ফ্লাইট বাতিলের ফলে যে সব যাত্রীর ভ্রমণ পরিকল্পনা ব্যাহত হয়েছে, তাদের কাছে আন্তরিক দুঃখপ্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে এয়ারলাইনের মুখপাত্র আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা প্রদান এবং তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার কাজ চলমান রয়েছে।
সাধারণত ইসরায়েলি নাগরিকদের কাছে ফ্লাইদুবাইয়ের এই রুটটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। এয়ারলাইনটির নিয়মিত সময়সূচি অনুযায়ী, দুবাই ও তেল আবিবের মধ্যে প্রতিদিন প্রায় ১০টি ফ্লাইট আসা-যাওয়া করে। তবে বর্তমান পরিস্থিতির কারণে এই বড় রুটের কার্যক্রম পুরোপুরি স্থগিত করতে হলো।
এর বাইরে অন্য একটি ঘটনায় সৌদি জোটের পক্ষ থেকে মদিনার বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার অভিযোগ তোলা হয়েছে, যা অস্বীকার করেছে হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী। অন্যদিকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এক সাংবাদিকসহ আট ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রবাসী আয়ের প্রবাহ গত ১১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।
সংস্থাটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয় যে, এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে এবং নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আপাতত ফ্লাইদুবাই তাদের সব যাত্রীকে ধৈর্য ধারণের অনুরোধ জানিয়েছে এবং বিকল্প সেবার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।





