জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও গতি আনতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিশেষ করে জেএসসি, মাধ্যমিক বা সমমানের অনলাইনে যাচাইযোগ্য সনদের ভিত্তিতে দাখিল করা আবেদনগুলো সঠিক নিয়মে নিষ্পত্তি হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত তদারকি করা হবে। তবে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ এই প্রক্রিয়ার আওতাভুক্ত নয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ইসির এনআইডি অনুবিভাগের সহকারী পরিচালক মুহা. সরওয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত আবেদনগুলো সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা নিষ্পত্তি করবেন। এরপর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা তাদের অধীনস্থ কর্মকর্তাদের কাজের মান যাচাই করবেন।
তদারকি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে প্রতি মাসে প্রতিটি কর্মকর্তার নিষ্পত্তি করা অন্তত তিনটি আবেদন যাচাই করতে হবে। এর মাধ্যমে কাজ যথাযথ হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করে নির্ধারিত ছক অনুযায়ী পরিচালক (অপারেশন্স) বরাবরে প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে।
চিঠিতে সময়সীমা বেঁধে দিয়ে জানানো হয়, গত ১৩ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের কার্যক্রমের প্রতিবেদন মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জমা দিতে হবে। পরবর্তী সময়ের প্রতিবেদন প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই নিয়মিতভাবে পাঠাতে হবে।






