
যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়তি রাখতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার কৌশল পরিবর্তন করেছে ইরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে এই জলপথের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে সরবরাহ করা হতো, তবে বর্তমান অস্থিরতায় জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দর ঊর্ধ্বমুখী। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন / সারে ভর্তুকির অর্ধেকই যাচ্ছে বড় কৃষকদের কাছে। হুতি হামলায় সৌদি আরামকোতে আগুন, রিয়াদে আহত ৪। হুতি হামলার মুখে প্রাসাদ বদলাচ্ছেন সৌদি যুবরাজ সালমান।
তেহরানের দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, প্রায় ১০ দিন আগে থেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার নতুন ও কার্যকর কৌশল ব্যবহার করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় হামলার ধরন ও গতি উভয়ই পরিবর্তন করা হয়েছে, যার অন্যতম লক্ষ্য হলো মার্কিন নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলা। এক কর্মকর্তা জানান, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের প্রচেষ্টা বানচাল করাই এর মূল উদ্দেশ্য। ইরান এমন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চায় যাতে তাদের নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী কোনো জাহাজই হরমুজ প্রণালি পার হতে না পারে। গ্রাহকের আমানত ফেরত দিতে ৭ হাজার কোটি টাকা ধার পেল ন্যাশনাল ব্যাংক। তেহরানের দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আজ মঙ্গলবার বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
মার্কিন সামরিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের রাডার ব্যবস্থার বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ছোট নৌযানে নিরস্ত্র পর্যবেক্ষক ব্যবহার করছে। তারা মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করে আইআরজিসিকে তথ্য দিচ্ছে। গত সপ্তাহে এমন একটি নৌযান শনাক্তের পর মার্কিন বাহিনী সেটিকে ধ্বংস করে দেয়, যদিও এতে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। পরে নৌযানটির আরোহীদের সেটি ছেড়ে যেতে বলে সেটি ধ্বংস করা হয়। বাব আল-মান্দেব পুনর্দখলে অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেনি বাহিনী।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা যুদ্ধের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও-এর তথ্যমতে, গত ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত পাঁচটি ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে। ওমান উপসাগরসহ কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলের কাছেও হামলার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। দ্বিতীয় এক ইরানি কর্মকর্তা স্পষ্ট করেন, নভেম্বরের নির্বাচনের আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তেলের দাম কমাতে দেওয়া হবে না এবং হরমুজ প্রণালির বাইরেও কোনো জাহাজ আর নিরাপদ থাকবে না। এক কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অচিরেই প্রণালিটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট মেরিটাইম ইনফরমেশন সেন্টার (জেএমআইসি) জানিয়েছে, ড্রোন নজরদারি ও রেডিও যোগাযোগের মাধ্যমে জাহাজের ওপর ঝুঁকি এখনো গুরুতর পর্যায়ে রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০