
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অনধিকার প্রবেশের মামলায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এসইএম)। বুধবার এই আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে পাঁচ দিন পুলিশি হেফাজতে থাকার পর গত সোমবার তাঁদের আটকের মেয়াদ আরও দুই দিন বাড়ানো হয়েছিল। এর আগে পাঁচ দিন হেফাজতে থাকার পর সোমবার (১৯ অক্টোবর) তাঁদের আটকের মেয়াদ আরও দুই দিন বাড়ানো হয়েছিল।
সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কাকে গত ১৩ অক্টোবর আটক করেছিল দিল্লি পুলিশ। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রমের (এসআইআর) বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলাকালে নিরাপত্তাব্যবস্থা লঙ্ঘন করে যন্তর মন্তরে প্রবেশের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।
আইনবিষয়ক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিপি) রিতু রাজের দায়িত্বে থাকা বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে দিল্লি পুলিশ তাঁদের বিচারিক হেফাজতের মেয়াদ আরও তিন দিন বাড়ানোর জোরালো আবেদন করেছিল। পুলিশ যুক্তি দিয়েছিল যে এই দুই নেতাকে মুক্তি দিলে জননিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে। জনশান্তি ও শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার আশঙ্কা নিয়েও গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আদালতের আগের আদেশে বলা হয়েছিল, সৌরভ ও আশুতোষের আচরণে আইনের প্রতি শ্রদ্ধার ঘাটতি রয়েছে এবং নির্ধারিত নয় এমন স্থানে বারবার বিক্ষোভ ডাকার প্রবণতা রয়েছে তাঁদের। এছাড়া তাঁদের জামিনের জন্য যে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল, আদালত তা শুরুতে উপযুক্ত না হওয়ায় প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। আদালতের মতে, যাঁরা জামিনের নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন, তাঁরা উপযুক্ত ছিলেন না। আদালত আরও উল্লেখ করেন, বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত স্থান হিসেবে স্বীকৃত নয়, এমন এলাকায় বারবার বিক্ষোভের ডাক দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে তাঁদের।
সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে মুক্তির নির্দেশ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সৌরভ দাস সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সত্যের জয় হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০