সড়কে প্রাণহানি কমাতে এবং যাতায়াত নিরাপদ রাখতে বাংলাদেশ পুলিশ এবার ১২টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে। সম্প্রতি বাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব নিয়ম চালকদের মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। মূলত ট্রাফিক আইন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুর্ঘটনা রোধ করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির নিরাপত্তা
- মোটরসাইকেল চালক এবং আরোহী—উভয়কেই অবশ্যই হেলমেট পরতে হবে।
- মোটরসাইকেলে চালকসহ সর্বোচ্চ দুইজন আরোহী যাতায়াত করতে পারবেন।
- গাড়ি চালানোর সময় চালক ও যাত্রীদের সিট বেল্ট ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
- চলাচলের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না এবং অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকতে হবে।
- নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলার পাশাপাশি ট্রাফিক সিগন্যাল যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
সতর্কতামূলক ড্রাইভিং ও আচরণবিধি
ভারী যানবাহনের ক্ষেত্রে ‘ব্লাইন্ড স্পট’ বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। লেন পরিবর্তন কিংবা মোড় নেওয়ার সময় ইন্ডিকেটর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। অন্য গাড়ির সঙ্গে সব সময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা প্রয়োজন। বৈরী আবহাওয়া যেমন কুয়াশা বা বৃষ্টির সময় গাড়ির গতি কমিয়ে সাবধানে চালাতে হবে। এছাড়া যানজট বা অন্য কোনো চালকের ভুলের কারণে ধৈর্য হারানো যাবে না, মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রেখে গাড়ি চালানো জরুরি। মাদক সেবন, তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থা কিংবা উল্টো পথে গাড়ি চালানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। মহাসড়কে নিয়ম না মেনে ওভারটেকিং না করে লেন অনুসরণ করে চলাচল করার জন্য সব চালককে কঠোরভাবে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ বিভাগ।






