
যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এফ-১৬ভি মডেলের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের প্রথম চালান বুঝে পেয়েছে তাইওয়ান। লকহিড মার্টিন কোম্পানির তৈরি দুটি যুদ্ধবিমান শুক্রবার তাইওয়ানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলের তাইতুং বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করে। বিমানগুলো সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকেই পৌঁছানোর কথা থাকলেও রিফুয়েলিং সংক্রান্ত জটিলতায় তা পিছিয়ে গিয়েছিল। গুয়ামের পথে রওনা হওয়ার পর নিরাপত্তার খাতিরে বিমানগুলো পুনরায় হাওয়াইয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছিল, যদিও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ময়মনসিংহে অটোরিকশায় বাসের চাপা, নারী-শিশুসহ নিহত ৭। ফেরদৌসীর পদত্যাগ বিএনপি নেতাকর্মীদের যে বার্তা দিচ্ছে। বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াতের আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা। হাওয়াই ও গুয়ামে রিফুয়েলিংয়ের জন্য থেমে জেটগুলো সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, গুয়ামের পথে রওনা হওয়ার কিছুক্ষণ পরই বিমানগুলো হঠাৎ হাওয়াই ফিরে যায়।
তাইওয়ানের আকাশসীমা রক্ষায় এই যুদ্ধবিমানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। তাইপের ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি রিসার্চের বিশেষজ্ঞ সু জু-ইউনের মতে, এফ-১৬ভি-এর উন্নত রাডার ও শক্তিশালী ইঞ্জিন চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক হুমকি মোকাবিলায় তাইওয়ানের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। তবে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কু জানিয়েছেন, এ বছরের মধ্যে সবকটি যুদ্ধবিমান বুঝে পাওয়াটা চ্যালেঞ্জিং। চলতি বছরের শেষ নাগাদ আরও কয়েকটি বিমান পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
যুদ্ধবিমানগুলোর আগমন দেখার জন্য বিমানঘাঁটির বাইরে উৎসুক জনতার ভিড় দেখা গেছে। তাইচুং থেকে আসা কিমি চি নামের এক দর্শক বলেন, প্রযুক্তিগতভাবে এটি আমাদের শক্তি বাড়াবে, তবে দক্ষ পাইলট সংকট নিরসনে সরকারকে আরও মনোযোগ দিতে হবে। অন্যদিকে, বিমানবাহিনীর সাবেক সদস্য এরিক চ্যান বলেন, চীন বরাবরই বলপ্রয়োগের হুমকি দিয়ে আসছে, তাই নিজেদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আরও জোরদার করা এখন সময়ের দাবি। জন্মদিনে বিশেষ সাক্ষাৎকার / সংস্কৃতি নদীর মতো, একে আপন গতিতে বইতে দিতে হয়: জেমস। যুদ্ধবিমানগুলোর বহুল প্রতীক্ষিত আগমন দেখতে বহু স্থানীয় মানুষ দূরবীন ও বড় লেন্সের ক্যামেরা নিয়ে বিমানঘাঁটির সীমানাপ্রাচীরের কাছে ভিড় জমান। তাইচুং শহরের বাসিন্দা কিমি চি নামের এক বিক্রয়কর্মী বিমানগুলো ল্যান্ডিংয়ের ছবি তুলতে সারারাত ভ্রমণ করে তাইতুংয়ে যান।
চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে এবং প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকি দিয়ে রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চীনের উত্তেজনা কমাতে প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেমসহ অন্যান্য অস্ত্র প্যাকেজগুলো ছোট ছোট কিস্তিতে সরবরাহ করার চিন্তাভাবনা চলছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠেয় জি২০ সম্মেলনের আগে এই প্যাকেজ অনুমোদনের সম্ভাবনা কম, কারণ সেখানে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, দীর্ঘ বিলম্ব সত্ত্বেও তাইওয়ানের জনগণের মধ্যে নতুন যুদ্ধবিমান নিয়ে ইতিবাচক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে; অনেকেই মনে করছেন, সুরক্ষার স্বার্থে কিছুটা অপেক্ষা করা জরুরি ছিল।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০