যুক্তরাষ্ট্রের সাথে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সামরিক সংঘাতের পর থেকে ইরান বর্তমানে সামরিকভাবে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মাদ আকরামিনিয়া শনিবার এই তথ্য জানিয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা আইআরএনএ এএফপির বরাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিদেশি ঋণ এক দশকে বেড়েছে প্রায় ৩ গুণ। সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়ায় সংশোধন, তবুও কাটছে না উদ্বেগ। বিশ্লেষণ / ইরানের স্থলপথে অবরোধ, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে হামলার শঙ্কা, ৯ নভেম্বর কেন গুরুত্বপূর্ণ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের সূচনা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেল ও সড়ক অবরোধ, ৪ ঘণ্টা পর ডিসির আশ্বাসে প্রত্যাহার।
আকরামিনিয়া আরও উল্লেখ করেন, ইরানি বাহিনীর মধ্যে এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস ও উদ্দীপনা কাজ করছে। সর্বোচ্চ নেতার কঠোর নির্দেশে সশস্ত্র বাহিনীর যে কোনো পদক্ষেপ তাৎক্ষণিক ও কার্যকর হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই সামরিক জবাব ভৌগোলিক সীমার সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে আরও বিস্তৃত হতে পারে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ইরানের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত এই কৌশলগত সমুদ্রপথটি বন্ধই রাখা হবে। সিলেট টেস্ট / নির্বিষ বোলিংয়ে হতাশার সেশন। ৬ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে ৩০০ পরিবার: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
এদিকে, দেশটির বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর মুখপাত্র হোসেইন মোহেব্বি জানিয়েছেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়ানোর চলমান প্রক্রিয়া নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে চলেছে। এই সংকট নিরসনে মধ্যস্থতাকারীরা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। কাতারসহ মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো যুদ্ধের ভয়াবহতা কমাতে এবং নতুন করে বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
কাতারভিত্তিক আলোচনার প্রেক্ষিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মেদ বিন আবদুল রহমান আল থানি শুক্রবার অক্সফোর্ডে এক বক্তব্যে বলেন, একটি নিখুঁত সমঝোতার আশায় বসে থাকা অসম্ভব, কারণ বাস্তবে তেমন কিছু ঘটার সম্ভাবনা নেই।
তার মতে, বর্তমানে পরমাণু কর্মসূচি এবং পারস্য উপসাগরে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার বিষয়টিকেই সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রেরও আন্তরিকতা আছে বলে তিনি মনে করেন। আলোকচিত্র / আলাইকুমারী নদীর বুকজুড়ে ফসলের খেত।
এর আগে যুদ্ধ অবসানের উপায় খুঁজতে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে ফোনালাপে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বল টেম্পারিং বিতর্ক: বোমা ফাটিয়ে খাওয়াজা বলছেন, ‘কাউকে বিপদে ফেলিনি’।






