
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি অভিযোগ করেছেন যে, মুসলিম বিশ্বে বিভেদ ও অনৈক্য সৃষ্টির জন্য শত্রুরা সক্রিয় রয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এই শক্তিগুলো ইরাকসহ বিভিন্ন মুসলিম দেশে জাতিগত, সাংস্কৃতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক পার্থক্যকে বিভাজনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তাদের মূল লক্ষ্য হলো ইসলামী উম্মাহর শক্তিকে দুর্বল করে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করা।
খামেনি জোর দিয়ে বলেন, মুসলিম দেশগুলোর সরকারপ্রধানদের উচিত প্রকৃত শত্রুকে চিহ্নিত করা এবং তাদের পরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতন থেকে সম্মিলিত অবস্থান গ্রহণ করা। তিনি প্রশ্ন রাখেন, যদি মুসলিম দেশগুলো ইসলামের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকত, তবে হাজার হাজার মাইল দূর থেকে আসা দুর্নীতিগ্রস্ত শক্তিগুলো কি তাদের ভূমি ও সম্পদের ওপর লোলুপ দৃষ্টি দেওয়ার সাহস পেত? ফিলিস্তিনিদের বর্তমান অসহায় অবস্থার জন্যও তিনি মুসলিম বিশ্বের অনৈক্যকে দায়ী করেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসনব্যবস্থা কেবল ইরান বা প্রতিরোধ ফ্রন্টেরই শত্রু নয়, বরং তারা পশ্চিম এশিয়া ও উত্তর আফ্রিকাসহ পুরো মুসলিম উম্মাহর অভিন্ন শত্রু। তিনি মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে পারে এমন যেকোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। খামেনি মনে করেন, মুসলিম দেশগুলো যদি পারস্পরিক ঐক্য ও বন্ধুত্ব বজায় রাখত, তবে বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরি হতো না।
তিনি মুসলিম বিশ্বের সরকারপ্রধানদের সতর্ক করে বলেন, শত্রুরা ইসলামী উম্মাহর বিভাজন ও দুর্বলতা পর্যবেক্ষণ করছে এবং উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষায় রয়েছে। তাই এই সংকটময় মুহূর্তে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সংহতি বজায় রাখা এবং শত্রুর ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সজাগ থাকা অপরিহার্য বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অপরাধী শাসকগোষ্ঠী এবং ভুয়া জায়নবাদি শাসনব্যবস্থা এই ঐক্য ও বন্ধুত্বের শপথবদ্ধ শত্রু।’।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০