আজারবাইজানের রাজধানী বাকু শহরভিত্তিক হায়দার আলিয়েভ সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে এশিয়ায় সহযোগিতা ও আস্থার ব্যবস্থাপনাবিষয়ক সম্মেলনের (CICA) সপ্তম শীর্ষ বৈঠক। আজারবাইজানের রাষ্ট্রপতি ইলহাম আলিয়েভের বিশেষ আমন্ত্রণে বহুজাতিক এই সম্মেলনে অংশ নেন কাতারের আমির মহামান্য শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। বিশ্বস্ত প্রতিনিধি ও শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে আন্তর্জাতিক এই মঞ্চে এশিয়ার বিকাশ নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা উঠে আসে।
সম্মেলনে কাতারের আমিরের সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন জাসিম আল থানি এবং আমিরি দেওয়ানের প্রধান আব্দুল্লাহ বিন মোহাম্মদ আল খানিফাইসহ উচ্চপর্যায়ের একটি সরকারি প্রতিনিধিদল। অনুষ্ঠানটিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের প্রতিনিধিরা একযোগে অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তব্যে শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এশিয়ার দেশগুলোর অভিন্ন স্বার্থ রক্ষা ও চলমান চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলায় পারস্পরিক সমন্বয় আরও সুদৃঢ় করার তাগিদ দেন। তিনি উল্লেখ করেন, এশীয় অঞ্চলের বিশাল সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে যৌথ উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। এশিয়ান মহাদেশের বিশাল সম্ভাবনাকে যথাযথ কাজে লাগিয়ে এর সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে যৌথ প্রয়াস চালানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি আজারবাইজানের রাষ্ট্রপতি ইলহাম আলিয়েভের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় এক বৈঠকে মুখোমুখি হন কাতারের আমির। আলোচনার টেবিলে দুই দেশের মেলবন্ধন, পারস্পরিক সহযোগিতার পরিধি সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা সমসাময়িক বিষয়ের গুরুত্ব স্থান পায়। পরবর্তীতে উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতি শাভকাত মিরজিইয়োয়েভের সঙ্গেও এক পৃথক বৈঠকে মিলিত হন আমির, যেখানে বন্ধুপ্রতিম দুই রাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব এবং যৌথ স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা দিক আলোচিত হয়। এসব গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও বৈঠক শেষ করে কাতারের আমির তাঁর প্রতিনিধিদলসহ বাকু ত্যাগ করেন।






