
রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গালর্স কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসা একজন প্রার্থী জানান, পরীক্ষা শুরুর মিনিটখানেক আগে এটি বাতিলের ঘোষণা দেওয়া হয়। শিক্ষকরা জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কারণে পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ছড়িয়ে পড়েছিল। আরেকজন বলেন, প্রশ্নপত্র দেওয়ার সময় শিক্ষকেরা বললেন প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে তাই বাতিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে স্ট্যাটাসও দেন।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশাসন উইংয়ের পরিচালক ডি এম আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা প্রশ্নের খণ্ডিত অংশের সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নের মিল পাওয়ার পরই পরীক্ষা স্থগিতের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন-৫) মো. মাজহারুল হক জানিয়েছেন, আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যেই নতুন পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নের সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নের মিল পাওয়া গেছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পুরোটা তো দেয়নি, যতটুকু দিয়েছে মিল পাওয়া গেছে।’।
পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন চাকরিপ্রার্থীরা। বেলা সোয়া ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, শাহবাগ, নীলক্ষেত মোড় ও সাতমসজিদ সড়কে এই অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়। অবরোধকারীরা জানান, শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা বাতিল করায় তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে রাজপথে নেমেছেন।
নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ুব ও শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল খালেক নিশ্চিত করেছেন যে, দুপুর নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং পরীক্ষার্থীরা রাস্তা থেকে সরে যায়। সব মিলিয়ে পরীক্ষার আগের রাতে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের জেরে এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে ১০থেকে ১৫ মিনিট পরে সড়ক ছেড়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০