
তুরস্ক, কাতার, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়া নিজেদের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা আরও সংহত করার উদ্দেশ্যে একটি নতুন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। দোহায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশগুলো এই কৌশলগত 'বদর সমঝোতা স্মারক' (Badar Memorandum of Understanding) চূড়ান্ত করে। বুধবার তুর্কি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানো, সামরিক উৎপাদন খাতে যৌথ বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ আদান-প্রদান। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিটি দেশের নিজস্ব সামরিক উৎপাদন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে এই উদ্যোগটি একটি সমন্বিত প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তুলবে। এটি কেবল নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই নয়, বরং বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর চাহিদার ভিত্তিতে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তুরস্ক বর্তমানে ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক বাহিনীর অধিকারী এবং তাদের উন্নত প্রতিরক্ষা শিল্প বিশেষ করে পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে যুক্ত। এর আগে আগস্ট মাসে তুরস্ক পাকিস্তান ও সৌদি আরবের সঙ্গে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পন্ন করেছিল, যেখানে যেকোনো এক পক্ষের ওপর হামলাকে সামগ্রিক নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে দেখার বিধান রাখা হয়েছে। কাতারের ক্ষেত্রেও তুরস্কের দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সম্পর্ক বিদ্যমান, যেখানে দেশটিতে তুরস্কের একটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।
এদিকে, এসব ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি কাতারের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক ও ধর্মীয় কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। সম্প্রতি কাতার মন্ত্রিসভা তাদের ২০২৭ সালের খসড়া বাজেট অনুমোদন করেছে। একইসঙ্গে ধর্মীয় পর্যটনের ক্ষেত্রেও দেশটি বড় মাইলফলক অর্জন করেছে; মাত্র এক মাসের ব্যবধানে মদিনার মসজিদে নববীতে রেকর্ড ২ কোটি ১৬ লাখ মুসল্লির সমাগম হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০