
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক বাহিনী মাত্র ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে নজিরবিহীন আক্রমণ চালাতে প্রস্তুত রয়েছে। পেন্টাগন ও সেন্ট্রাল কমান্ড যৌথভাবে ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র, জ্বালানি খাত এবং সামরিক স্থাপনাগুলোর একটি বিস্তৃত লক্ষ্যতালিকা প্রস্তুত করেছে। মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ঠিক পরপরই এই বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওয়াশিংটন বা তেল আবিবের পক্ষ থেকে কোনো হামলা চালানো হলে তেহরান ও তাদের মিত্র হুথি বিদ্রোহীরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, আক্রমণ শুরু হলে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন এলাকার মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও কর্মীদের ওপর তীব্র পাল্টা আঘাত হানবে ইরান। সম্ভাব্য এই নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দূতাবাস থেকে নিজেদের কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি তেল সরবরাহের রুট হিসেবে পরিচিত ‘হরমুজ প্রণালি’ সম্প্রতি পরিদর্শন করেছেন মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার। সে সময় তিনি ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। কূটনৈতিক উপায়ে কোনো সমাধান না আসলে এবং তেলের বাজার অস্থিতিশীল থাকলে চূড়ান্ত সামরিক অভিযানের দিকেই এগোতে পারে ওয়াশিংটন।
এদিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ইরানের ওপর সামরিক আগ্রাসন চালানোর জন্য ট্রাম্প প্রশাসনকে প্রবল চাপে রেখেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে ট্রাম্প আপাতত ইসরাইলকে সংযত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর ইসরাইলের নির্ভরতা থাকায় নেতানিয়াহু শেষ পর্যন্ত যৌথ অভিযানের এই পরিকল্পনা মেনে নিয়ে নির্বাচনের পরবর্তী সময়ের জন্য অপেক্ষা করছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০