
চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে টোকিও অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু, মোট ১২৩৩।
সোমবার জাপানের স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে জাপান-বাংলাদেশ বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা কমিটির (জেবিসিসিইসি) সভাপতি এবং মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। মিরপুরের উইকেট নিয়ে প্রশ্নে হাসিতে ফেটে পড়লেন স্যামি। ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আছড়ে পড়তে পারে অন্ধ্র উপকূলে, বাংলাদেশে প্রভাব কতটা। এ পরিস্থিতিতে জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে অত্যন্ত আগ্রহী। তিনি একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে মাসুমি কাকিনোকির ভূমিকার প্রশংসা করেন। শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে তার সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোও প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে তুলে ধরেন।
এর আগে গত ১১ অক্টোবর ঢাকায় মারুবেনি করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট মাসায়ুকি ওমোতোর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা করেছিল।
এবারের সাক্ষাৎকালে মাসুমি কাকিনোকি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত কার্যকর করে নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টির আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, তার সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে আইন সংশোধন ও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার কাজ করছে। এই পদক্ষেপের ফলে জাপানি উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা পরিচালনা সহজ হবে। সরকার অনুমতি দিলে পুলিশ ‘ক্রসফায়ার’ করবে: আইজিপি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে তার সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এটি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। এ লক্ষ্যে কিছু আইনি পরিবর্তনও আনা হচ্ছে।
একই দিন বিকেলে টোকিওতে জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। মৈত্রী লীগের সভাপতি ও জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোসহ প্রতিনিধিদলে দেশটির সাবেক মন্ত্রী ইয়াসুতোশি নিশিমুরা এবং ভূমি, অবকাঠামো ও পরিবহনমন্ত্রী তাতসুনোরি ইবায়াশিসহ অন্যান্য সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক) ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
বৈঠকে দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগ আরও নিবিড় করার ওপর জোর দেওয়া হয়। তারো আসো বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে জাপানি বিনিয়োগের জন্য বড় সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী ২০০৬ সালে তার জাপান সফরের সময় তারো আসোর সঙ্গে সাক্ষাতের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে মৈত্রী লীগের ধারাবাহিক অবদানের প্রশংসা করেন। বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে তারেক রহমান ২০০৬ সালে জাপান সফর করেন। বাংলাদেশের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। গোপালগঞ্জে মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২৫।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে জাপানের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ)-এর প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণে জাপানের সহায়তা প্রত্যাশা করেন।
বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ।
প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ইস্যুতে নানা আলোচনা থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর এই সফর মূলত দুই দেশের কৌশলগত বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০