গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর হামলায় এক সাংবাদিকসহ অন্তত আট ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। বুধবার চালানো এই হামলায় নিহতদের মধ্যে ফিলিস্তিনি সাংবাদিক মুহাম্মদ আবদেল আজিজ আল-নাজ্জার রয়েছেন বলে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস নিশ্চিত করেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাস থেকে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ২৬৩ জন সাংবাদিক প্রাণ হারিয়েছেন। যৌথ অভিযান নয়, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সব বাহিনী নিয়ে সমন্বিত কার্যক্রম চলবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ইশানের একার রানই ছুঁতে পারল না শ্রীলঙ্কা, বড় জয়ে ফাইনালে ভারত। গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলায় এক সাংবাদিকসহ অন্তত ৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বুধবারের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন হাসপাতালে অন্তত নয়জনের মরদেহ আনা হয়েছে। এর মধ্যে বুধবারের হামলায় আটজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি পূর্বের কোনো এক হামলায় আহত এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৩১ জন আহত হয়েছেন এবং সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত আহতের সংখ্যা ৫ হাজার ২৬ জনে পৌঁছেছে। সংরক্ষিত নারী এমপি ফেরদৌসীকে পদত্যাগের নির্দেশ। দখল-চাঁদাবাজিতে ব্যবহার হচ্ছে ‘কিশোর গ্যাং’, খুঁজে বের করা হবে পৃষ্ঠপোষকদের। ১৫ বছর ধরে বন্ধ কারমাইকেল কলেজের ২ ছাত্রাবাস, আবাসন সংকটে শিক্ষার্থীরা।
আল-জাজিরার সাংবাদিক হিন্দ খোদারি গাজার বর্তমান পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে জানান, যুদ্ধবিরতির কথা থাকলেও ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন ও সহিংসতা থামছে না। গাজাবাসী প্রতিদিন প্রাণহানির মুখোমুখি হচ্ছেন এবং সেখানে মানবিক পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে। সেখানকার বাসিন্দারা এখন এতটাই আতঙ্কগ্রস্ত যে, নিত্যপ্রয়োজনীয় কেনাকাটার জন্য সুপারমার্কেটে যাওয়া কিংবা সন্তানদের স্কুলে পাঠানো তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তবে হামলার স্থান বা পরিস্থিতি সম্পর্কে তারা বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের প্রদান করা পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৭৪ হাজার ৩২ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। একই সময়ে আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৪২ জন ফিলিস্তিনি। যুদ্ধবিধ্বস্ত এই অঞ্চলে প্রতিদিন নতুন করে প্রাণহানি ও আহত হওয়ার ঘটনা মানবিক সংকটকে আরও গভীর করছে।
গত বছরের অক্টোবর মাসে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা অন্তত ১ হাজার ৪৩১ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে বুধবারের হামলাটি ঠিক কোন স্থানে বা কী পরিস্থিতিতে ঘটেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক তৎপরতা অব্যাহত থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে থাকা অগণিত মরদেহের উদ্ধারকাজ ও অবিস্ফোরিত বোমার উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।






