ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যেকোনো সামরিক পদক্ষেপে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাসকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, গাজা কিংবা ইরান—যেখানেই হোক, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধে যেকোনো ধরনের সহায়তা ও সমর্থনের ফল সুদূরপ্রসারী এবং গুরুতর হতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাকচি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ইউরোপীয় দেশগুলোর সমর্থন এবং তাদের বিভিন্ন ঘাঁটিকে ‘শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ’ হিসেবে ব্যবহার না করলে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলা চালানো প্রায় অসম্ভব হতো। তিনি তথ্য দেন যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ অভিযানের সমর্থনে ইউরোপীয় ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করে অন্তত ৫ হাজার বিমান উড্ডয়ন করা হয়েছে।
একই পোস্টে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের একটি ছবি যুক্ত করে তীব্র সমালোচনা করেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ন্যাটো কর্তৃপক্ষের এতদিনে বোঝা উচিত যে, কোনো গুণ্ডা বা আধিপত্যবাদী শক্তিকে তোষামোদ বা বাড়তি সুবিধা দিয়ে কখনোই তাদের সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়। যুদ্ধের এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতি নিয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এটিই ছিল অন্যতম স্পষ্ট বার্তা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এরপর আরাগচি সরাসরি ন্যাটো-র সমালোচনা করে বলেন, সেই বড় ভুলটি বাদ দিলেও, (ন্যাটো মহাসচিবের) এতক্ষণে জেনে যাওয়া উচিত যে, কোনো গুণ্ডা বা আধিপত্যবাদীকে তোষামোদ করে কখনোই সন্তুষ্ট করা যায় না।






