নিউইয়র্ক সিটিতে আটলান্টিক কাউন্সিলে দেওয়া এক বক্তব্যে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা ইসরাইলের বর্তমান নীতি নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ইসরাইল নিজেই নিজের চারপাশে নানা সংকটের জন্ম দিচ্ছে এবং এই সমস্যার মূলে তাদের নিজস্ব নীতি রয়েছে। তার মতে, ইসরাইলকে অবিলম্বে এই দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের পথে হাঁটতে হবে। তিনি আরো বলেন, এরপর আমরা নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে আলোচনায় প্রবেশ করব।
সম্পর্ক স্থাপনের পূর্বশর্ত
- ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং গোলান মালভূমি ফেরত পাওয়ার পূর্বশর্ত হিসেবে তিনি দক্ষিণ সিরিয়ার দখলকৃত এলাকা থেকে ইসরাইলি বাহিনীর দ্রুত প্রত্যাহার দাবি করেছেন।
- প্রেসিডেন্ট আল-শারা জানান, গত এক বছরে সিরিয়া ও ইসরাইলের মধ্যে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে দক্ষিণ সিরিয়ার দখলকৃত অঞ্চলগুলো ছেড়ে দেওয়ার পরই কেবল নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরবর্তী আলোচনার সুযোগ তৈরি হবে।
- তিনি জোর দিয়ে বলেন, নিরাপত্তা আলোচনা সফল হলেই কেবল দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পথ প্রশস্ত হতে পারে। জাতিসংঘের স্বীকৃত সিরীয় ভূখণ্ড গোলান মালভূমি নিয়ে কোনো নতুন আলোচনার প্রয়োজন নেই।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলা ও পরবর্তীতে গাজার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আল-শারা বলেন, ওই ঘটনায় নিরীহ মানুষের প্রাণহানির বিষয়টি তিনি অনুধাবন করেন। তবে একই সঙ্গে গাজায় ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু এবং চলমান ধ্বংসযজ্ঞের বিষয়টিও বিশ্ববাসীকে বুঝতে হবে। তার ভাষ্যমতে, ৭ অক্টোবর যা ঘটেছে, তার ওপর ভিত্তি করে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণ করা কোনোভাবেই উপযুক্ত নয়। তিনি ইসরাইলের বিদ্যমান আগ্রাসী নীতি থেকে সরে আসার তাগিদ দিয়েছেন।






