অবরুদ্ধ জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর সুরক্ষায় বসতিস্থাপনকারীদের নিয়মিত অনুপ্রবেশের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছে কাতার। গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে এই কঠোর অবস্থান তুলে ধরা হয়। দোহা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, দখলদার বাহিনীর সহায়তায় আল-আকসায় এমন অব্যাহত অনুপ্রবেশ আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবিক আইনের চরম লঙ্ঘন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, পবিত্র আল-আকসা মসজিদ মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রধান ইবাদতের স্থান। জেরুজালেমের পবিত্র স্থানগুলোর ঐতিহাসিক ও আইনি মর্যাদা পরিবর্তনের লক্ষ্যে যেকোনো একপক্ষীয় এবং অবৈধ পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এমন কর্মকাণ্ড বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানছে এবং এটি একটি স্পষ্ট উসকানি হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, এ ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড অঞ্চলে নতুন করে সহিংসতা ও সংঘাতের পথ প্রশস্ত করবে, যা বিদ্যমান শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রচেষ্টাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলমান নির্যাতন ও পবিত্র ভূমির অবমাননা বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কাতার। দখলদারিত্ব বন্ধ এবং জাতিসংঘের বৈধ রেজুলেশন মেনে চলার ক্ষেত্রে ইসরায়েলকে বাধ্য করতে বৈশ্বিক সক্রিয়তা প্রয়োজন।
ফিলিস্তিনের ন্যায়সঙ্গত অধিকারের পক্ষে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে বিবৃতিতে বলা হয়, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত কাতার ফিলিস্তিনিদের লড়াইয়ের পাশে থাকবে। ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি পূর্ণাঙ্গ ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠিত না হওয়া পর্যন্ত এই সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে দোহা পুনরায় নিশ্চিত করেছে।






