আফগানিস্তানের দশটি লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তানের বিমান ও ড্রোন হামলা

প্রকাশ:
Print news

আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে আবারও সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে পাকিস্তান। দেশটির সেনাবাহিনী আফগানিস্তানের অন্তত ১০টি ভিন্ন ভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার। বৃহস্পতিবার এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়, গতরাতে আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কান্দাহার শহরে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শুনেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ওই শহরেই তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার অবস্থান রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। ইউরোপের বিপজ্জনক পথ / দালালের খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব পরিবার, ঝুলে আছে ৫ হাজারের বেশি মামলা। তবে কোথায় কোথায় হামলা চালানো হয়েছে, তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেননি তিনি।

হামলার প্রেক্ষাপট ও সরকারি বক্তব্য

  • তথ্যমন্ত্রীর দাবি: পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে আফগান ভূখণ্ডে সন্ত্রাসীদের আশ্রয় ও সহযোগী নেটওয়ার্কের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়ে আসছিল।
  • অভিযান প্রকৃতি: চিহ্নিত সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোতে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী নির্ভুলভাবে এই ড্রোন ও বিমান হামলা পরিচালনা করা হয়েছে।
  • সার্বভৌমত্ব প্রসঙ্গ: আফগান কর্মকর্তাদের অভিযোগ, পাকিস্তান প্রতিবেশীর সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা দেখায় না এবং বৈরী গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দেয়।

তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার তার ভেরিফাইড এক্স হ্যান্ডলে দাবি করেছেন, এসব লক্ষ্যবস্তু অতীতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে। এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে পাকিস্তানের হামলায় অন্তত তিনজন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়, যদিও পাকিস্তানের ভাষ্যমতে ওই ঘটনায় ২৮ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। এএফপির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় লড়াইয়ের ইতিহাস থাকলেও আফগানিস্তানের মূল শহরগুলোতে এভাবে সরাসরি বিমান হামলার ঘটনা বেশ বিরল।

সহিংসতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার উত্তজনা নতুন নয়। গত শুক্রবার উত্তর পাকিস্তানে পুলিশের সদরদপ্তরে একটি ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হন। টিটিপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকেও কান্দাহার ও রাজধানী কাবুলে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। জাতিসংঘের আফগানিস্তান মিশনের (ইউএনএএমএ) তথ্যমতে, গত কয়েক সপ্তাহের এই ধারাবাহিক সহিংসতায় শত শত বেসামরিক আফগান নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশের ৩ ধাপের পরিকল্পনা।

স্থায়ী সমাধানের জটিলতা

  • নিরাপত্তা উদ্বেগ: পাকিস্তান মূলত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর তৎপরতা নিয়ে আফগান প্রশাসনের ওপর ক্ষুব্ধ।
  • মধ্যস্থতার ব্যর্থতা: মার্চ মাসে যুদ্ধবিরতি হলেও বিভিন্ন দেশের মধ্যস্থতায় স্থায়ী শান্তির চেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে, যার মূল কারণ নিরাপত্তা ইস্যুতে উভয় পক্ষের অনড় অবস্থান।
  • আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া: চলতি সপ্তাহে হুতি দমনে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে জরুরি বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে এবং ফ্রান্সও সামরিক সহায়তা ঘোষণার পথে রয়েছে।

পরিশেষে, আফগান কর্মকর্তারা পাকিস্তানের সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, পাকিস্তান সন্ত্রাস দমনের নামে বরং পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে। দীর্ঘমেয়াদী এই বিরোধ সমাধানে এখনো কোনো কার্যকর কূটনৈতিক পথ খুঁজে পাওয়া যায়নি, যার ফলে সীমান্তজুড়ে মানবিক সংকট ও নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েই চলেছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • এবার ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর: জামায়াত আমির।
  • ৩ মাসেই শেষ চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ-এলএনজি ভর্তুকির ৪৫ শতাংশ।
  • জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর ব্যবহার কমেছে, বেড়েছে প্রজনন হার।
  • প্রতিবেশী দেশটির বিরুদ্ধে ‘নিজ ভূখণ্ডে সন্ত্রাসীদের আশ্রয়স্থল’ গড়ে উঠতে দেওয়ার অভিযোগও আনেন তিনি।
  • গতরাতের হামলার বিষয়ে কান্দাহারের ওই বাসিন্দা এএফপিকে বলেন, তিনি একটি যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনার পর বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ পান। এরপর শহরের কেন্দ্রে আগুন জ্বলতে দেখেন।
  • পাঁচ বছরে তালেবান: আফগানিস্তান কী পেল, কী হারাল।
শেয়ার করুন
শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানকে শান্তি চুক্তির আহ্বান কাতারের ভ্যালেন্সিয়াকে হারিয়ে লা লিগায় বার্সেলোনার সঙ্গী হলো রিয়াল মাদ্রিদ মাগুরায় ঐতিহ্যবাহী দিনান্ত ক্লাবের নাম বদলে অফিসার্স ক্লাবের উদ্বোধন এনসিএল: বল হাতে সানজিতের ঝলক, ব্যাট হাতে তাইবুরের সেঞ্চুরি ইয়েমেনে সৌদি বিমান হামলায় হতাহত বৃদ্ধির অভিযোগ হুথিদের ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকে কাস্টমার সার্ভিস এক্সিকিউটিভ পদে নিয়োগ ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন গাদি আইজেনকট বিয়ের কথা জানিয়ে বরের পরিচয় গোপন রাখলেন পারশা মাহজাবিন গ্রাম পুলিশের বেতন ও ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধের কারণেই নির্বাচনে হেরেছি: জেডি ভ্যান্স মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা দিল মার্কিন রণতরী থিওডর রুজভেল্ট কানাডার ৮ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা টেস্ট ক্রিকেটকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানালেন মোহাম্মদ শামি পাকিস্তানের সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে ফিরছে তুরস্কের জাহাজ এসকেএস ফাউন্ডেশনে ৩২ পদে নিয়োগ, কর্মস্থল রাজশাহী ও রংপুর গ্রামপুলিশের বেতন ও অবসরভাতা বাড়ালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই লাখ টাকার শাড়িতে মিস ইউনিভার্সে ভারতের কাজিয়া দেশ যেন তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত না হয়: প্রধানমন্ত্রী হোয়াইট হাউসের কাছে অস্ত্রসহ আটক ভেনেজুয়েলার এক নাগরিক যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ২৫০ দম্পতির গণবিবাহ সম্পন্ন মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানকে শান্তি চুক্তির আহ্বান কাতারের ভ্যালেন্সিয়াকে হারিয়ে লা লিগায় বার্সেলোনার সঙ্গী হলো রিয়াল মাদ্রিদ মাগুরায় ঐতিহ্যবাহী দিনান্ত ক্লাবের নাম বদলে অফিসার্স ক্লাবের উদ্বোধন এনসিএল: বল হাতে সানজিতের ঝলক, ব্যাট হাতে তাইবুরের সেঞ্চুরি ইয়েমেনে সৌদি বিমান হামলায় হতাহত বৃদ্ধির অভিযোগ হুথিদের ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকে কাস্টমার সার্ভিস এক্সিকিউটিভ পদে নিয়োগ ইসরায়েলে সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন গাদি আইজেনকট বিয়ের কথা জানিয়ে বরের পরিচয় গোপন রাখলেন পারশা মাহজাবিন গ্রাম পুলিশের বেতন ও ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধের কারণেই নির্বাচনে হেরেছি: জেডি ভ্যান্স মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা দিল মার্কিন রণতরী থিওডর রুজভেল্ট কানাডার ৮ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা টেস্ট ক্রিকেটকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানালেন মোহাম্মদ শামি পাকিস্তানের সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে ফিরছে তুরস্কের জাহাজ এসকেএস ফাউন্ডেশনে ৩২ পদে নিয়োগ, কর্মস্থল রাজশাহী ও রংপুর গ্রামপুলিশের বেতন ও অবসরভাতা বাড়ালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই লাখ টাকার শাড়িতে মিস ইউনিভার্সে ভারতের কাজিয়া দেশ যেন তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত না হয়: প্রধানমন্ত্রী হোয়াইট হাউসের কাছে অস্ত্রসহ আটক ভেনেজুয়েলার এক নাগরিক যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ২৫০ দম্পতির গণবিবাহ সম্পন্ন