
গেবেখার সেন্ট জর্জেস পার্কে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান সংগ্রহ করেছে অস্ট্রেলিয়া। ইনিংস পরাজয় এড়াতে সফরকারীদের এখনও ১৭০ রান প্রয়োজন। এর আগে প্রোটিয়াদের প্রথম ইনিংসের ৪২৫ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৯৯ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ফলে ৩২৬ রানে পিছিয়ে থেকে ফলোঅনে পড়তে হয় তাদের। ৯৯ রানে অলআউট অস্ট্রেলিয়া, জয়ের সুবাস পাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম টেস্টে ২১৪ রানের বড় হার। মেসির দ্বিগুণের বেশি আয় রোনালদোর, অনেক পিছিয়ে নতুন প্রজন্ম। কিন্তু তৃতীয় দিন থেকে যেন পুরোপুরি বদলে গেছে ম্যাচের চিত্র। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার ৯ উইকেটে ৪২৫ রানের জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৯৯ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। আগের দিন মাত্র ৩ রানে ১ উইকেট হারিয়ে দিন শেষ করেছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায় আনরিখ নরকিয়ার চোট।
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেওয়ার মূল কারিগর ছিলেন মার্কো ইয়ানসেন। মাত্র ৩৩ রান খরচায় ৫ উইকেট শিকার করেন এই বাঁহাতি পেসার। তার অসাধারণ বোলিংয়ের সুবাদে টেস্ট ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এটি অজিদের চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ। মাত্র ৪২.৩ ওভারেই শেষ হয় তাদের প্রথম ইনিংস। কক্সবাজারে সাগরে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২। বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব। অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ইনিংসে এমন বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেওয়ার মূল নায়ক ইয়ানসেন। বার্সার বিপক্ষে জিততে চড়া মূল্য দিল পিএসজি।
দিনের শুরুতে ইয়ানসেনের প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরেন নাইটওয়াচম্যান স্কট বোল্যান্ড। এরপর একে একে ট্রাভিস হেড, ম্যাট রেনশ, অ্যালেক্স ক্যারি ও বিউ ওয়েবস্টারকে ফিরিয়ে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন এই পেসার। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ২৮ রান আসে স্টিভ স্মিথের ব্যাট থেকে। অন্য ব্যাটাররা বড় কোনো ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। বাকিদের কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি।
অজিদের প্রথম ইনিংসে মারনাস লাবুশেনকে ফিরিয়েছিলেন আনরিখ নরকিয়া। তবে কুঁচকির চোটের কারণে মাত্র ৩.৩ ওভার বোলিং করেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন এই পেসার। তা সত্ত্বেও স্বাগতিক অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা অজিদের ফলোঅন করানোর সিদ্ধান্ত নেন।
অধিনায়কের সেই সিদ্ধান্ত দ্রুতই সঠিক প্রমাণ করেন কাগিসো রাবাদা। দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই তিনি তুলে নেন ওপেনার নিক ম্যাডিনসনের উইকেট। এর আগে প্রথম ইনিংসেও এই ব্যাটারকে আউট করেছিলেন রাবাদা। সঙ্গে কাগিসো রাবাদার দুর্দান্ত বোলিংয়ে সিরিজে সমতা ফেরানোর খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে প্রোটিয়ারা।
এরপর ট্রাভিস হেড ও মারনাস লাবুশেন মিলে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। দ্বিতীয় উইকেটে ৯২ রান যোগ করে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালান তারা। তবে লাবুশেনকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন অফ স্পিনার সাইমন হার্মার। দ্বিতীয় উইকেটে ৯২ রান যোগ করে কিছুটা স্বস্তি ফেরান অস্ট্রেলিয়ার শিবিরে।
ব্যক্তিগত ৩৯ রানে বড় শট খেলতে গিয়ে মিড অন থেকে পেছনে দৌড়ে আসা ইয়ানসেনের ক্যাচে পরিণত হন লাবুশেন। পরবর্তীতে রাবাদা বোল্ড করেন আগের টেস্টের ম্যাচসেরা ম্যাট রেনশকে। এছাড়া বিউ ওয়েবস্টারকে এলবিডব্লিউ করে অস্ট্রেলিয়ার সংকট আরও বাড়িয়ে দেন হার্মার।
তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে দৃঢ়তা দেখিয়েছেন ট্রাভিস হেড। ইনিংসের শুরুতে মাত্র ৫ রানে জীবন পাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া না করে তিনি অপরাজিত ৮৭ রান করেন। অস্ট্রেলিয়ার দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে স্টিভ স্মিথের চোটও। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সময় ঘাড়ে অস্বস্তি অনুভব করায় চতুর্থ দিনের শেষ পর্যন্ত আর ব্যাটিংয়ে নামেননি এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। ‘আপনারাই ভুল রাজনীতি করে আওয়ামী লীগকে ফেরার সুযোগ দিচ্ছেন’। ইয়ানসেনের হাতে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যাওয়ার পর সেটি কাজে লাগিয়ে অপরাজিত ৮৭ রান করেছেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। আবারও ব্যাটিংয়ে ভরাডুবি, ১৬০ রানেই অলআউট বাংলাদেশ। এল ক্লাসিকোর আগে চোটের মিছিলে ওলমোও, দুশ্চিন্তা বাড়ল বার্সার।
ম্যাচে এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিশাল সংগ্রহের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা নিজেই। তার ব্যাট থেকে আসে দুর্দান্ত এক ১৭৯ রানের ইনিংস। এছাড়া ইয়ানসেন ৮৫ এবং সাইমন হার্মার ৮২ রান করেন। ইয়ামালকে গুঁতো দিয়ে নিষিদ্ধ হলেন বার্নাল।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০