দেশের সমসাময়িক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ
- আদাবরে বাড়ি ও মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টা: গ্রেপ্তার ১৩
- প্রাথমিকের অবশিষ্ট ৮১৭ পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া পর্যালোচনাধীন: শিক্ষামন্ত্রী
- কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান, আটক ৪১৫
- কুড়িগ্রামে ইয়াবাসহ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার, দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি
- শপথ নিলেন নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র
- আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান
- সার্বিয়া বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার, প্রকৌশলী ও নার্স নিতে আগ্রহী: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা শিক্ষার্থীদের ব্যাপক আন্দোলনের মুখে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুচিচ। সোমবার বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর নিশ্চিত করেছে। বেলগ্রেডে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে দাঁড়িয়ে তিনি নিজের পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এ সময় প্রাসাদের বাইরে তার সমর্থকরা সমবেত হয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন। ভুচিচ জানান, মঙ্গলবার সকালে তিনি পার্লামেন্টের স্পিকারের কাছে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন। ২০০০ সালে তৎকালীন শাসক স্লোবোদান মিলোসেভিচের সরকার পতনের পর সার্বিয়ায় এমন তীব্র বিক্ষোভ আর দেখা যায়নি। এ জন্য তিনি ‘দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের অস্থিরতার’ কথা উল্লেখ করেন। ২০১৭ সালে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ভুচিচ।
২০২৪ সালের নভেম্বরে নোভি সাদ রেলওয়ে স্টেশনের একটি ছাউনি ধসে ১৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় সরকারি দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এই আন্দোলনের সূচনা হয়। শুরুতে স্বচ্ছ তদন্তের দাবি থাকলেও পরবর্তীতে তা আগাম নির্বাচনের দাবিতে রূপ নেয়। ভুচিচ বারবার নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিলেও কোনো তারিখ নির্দিষ্ট করেননি। অবশেষে চলতি মাসের শুরুর দিকে ২৫ অক্টোবর নির্বাচনের ঘোষণা দেন তিনি। তবে সেই নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদে লড়ার আগ্রহ থেকে মেয়াদ পূর্ণ করার আগেই তিনি পদত্যাগ করলেন। ভুচিচ বলেন, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে তিনি জনগণের কাতারে থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান। তিনি তার দল সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টির ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নেবেন। পরবর্তী সময়ে ২০২২ সালের মে মাসে পুনর্নির্বাচিত হন তিনি।
পদত্যাগের ঠিক আগে তিনি তার সাংবিধানিক ক্ষমতা ব্যবহার করে প্রায় অর্ধশত মানুষকে ক্ষমা ঘোষণা করেন। এর মধ্যে শিক্ষার্থী এবং তার দলের অনুগত কর্মীরাও রয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলাকালীন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। তিনি জানান, গত দেড় বছরের ভয়াবহ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এমন ২৩ জনসহ মোট ৪৯ জনকে তিনি ক্ষমা করেছেন। আইন অনুযায়ী এখন সংসদের স্পিকার আনা ব্রনাবিচ সর্বোচ্চ তিন মাসের জন্য ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং এই সময়ের মধ্যেই নতুন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে হবে। বিক্ষোভের প্রসঙ্গ টেনে ভুচিচ বলেন, ‘আমি ৪৯ জনকে ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাদের মধ্যে ২৩ জন গত দেড় বছরে আমরা যে ভয়াবহ ঘটনাগুলোর মধ্য দিয়ে গেছি, সেগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।’।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- বিশ্লেষণ / মধ্যপ্রাচ্যের তেল-গ্যাস বন্ধ হলে কোন পথে যাবে বিশ্ব।
- ওই দুর্ঘটনার জন্য সরকারি দুর্নীতিকে দায়ী করে শিক্ষার্থীরা।
- ভুচিচ সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে কখনো কখনো লাখো মানুষও যোগ দেন।






