
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ কর্তৃক সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় পরিবর্তনের আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে দায়ের করা এই আবেদনে সাজা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পুলিশি হয়রানি বন্ধের দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের অবরোধ।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে যে ইনু তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। জুলাই অভ্যুত্থান দমনে তিনি কারফিউ জারি, বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তারের পরামর্শ দেওয়া এবং নীতিগত আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ সংক্রান্ত টেলিফোন কথোপকথনের রেকর্ড ট্রাইব্যুনালে প্রমাণ হিসেবে দাখিল করেছে। রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তি দিয়েছে, একজন প্রভাবশালী বেসামরিক রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তার কর্মকাণ্ড অধীনস্থদের অপরাধ করতে উৎসাহিত করেছে, যা বেসামরিক উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের অপরাধের আন্তর্জাতিক আইনি নজিরের পরিপন্থী। চিকিৎসায় নোবেল ঘোষণা আজ, আলোচনায় যেসব গবেষণা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর মতে, অপরাধের গুরুত্ব, হামলার মাত্রা, হতাহতের সংখ্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষেত্রে সমাজের প্রত্যাশা অনুযায়ী সাজা হওয়া উচিত। তিনি জানান, রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তি দিয়েছে যে, ট্রাইব্যুনালের এই পর্যবেক্ষণগুলোর সঙ্গে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার বিষয়টি অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
ইনু ছাড়াও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এবং আরও তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলার যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। তাদের সবার জন্য মৃত্যুদণ্ড দাবি করা হয়েছে। তমিম বলেন, আমরা হানিফ ও অন্য সকল অভিযুক্তের জন্য আইনের সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছি।
রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হানিফের অবস্থান জুলাই অভ্যুত্থান মামলায় দণ্ডিত অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতাদের মতোই। তিনি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সভায় অংশ নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুমোদন এবং পুলিশের ওপর প্রভাব খাটানোর নির্দেশনা দিতেন বলে রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে অভিযোগ করেছে। নির্বাচনে অংশ নেবে না জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০