
বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত ও গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে নতুন করে ভূ-রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ তিনি একটি সংশোধিত মানচিত্র প্রকাশ করেন। সেখানে আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল এই সমুদ্রপথটিকে সরাসরি ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এই বিতর্কিত পদক্ষেপের পরপরই ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে, হরমুজ প্রণালিকে ইরানি সামুদ্রিক মাইন থেকে মুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন, ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের সঙ্গে আপাতত কোনো ধরনের আলোচনার পরিকল্পনা বা দিনক্ষণ তার প্রশাসনের নেই। মূলত গত শুক্রবার নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্প প্রথমবারের মতো হরমুজ প্রণালিতে স্থায়ী মার্কিন উপস্থিতি নিশ্চিত করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
নিউইয়র্কের গভর্নর ও কংগ্রেস নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণাকালে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানকে পরাজিত করার প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এরপরই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই সমুদ্রপথকে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণার পরিকল্পনা সামনে আনেন। তার এই আক্রমণাত্মক অবস্থানের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকলেও ট্রাম্প নিজের সিদ্ধান্তে অনড়। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য।
ট্রাম্পের মতে, এই বৃহত্তর জাতীয় নিরাপত্তা ও বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করার জন্য যদি মার্কিন জনগণকে জ্বালানির পেছনে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতেও হয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য। তিনি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় মন্তব্য করেছেন যে, এই সিদ্ধান্তের জন্য তিনি কারও কাছে ক্ষমা চাইবেন না, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে এটি একটি সঠিক ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ছিল।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০