
আগামী ছয় মাসে প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের যে দাবি সম্প্রতি সামনে এসেছিল, তা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে মালয়েশিয়া। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে মালয়েশিয়া সরকারের মুখপাত্র ও যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশের একজন প্রতিমন্ত্রীর করা এই দাবি দেশটির সরকারের আনুষ্ঠানিক কোনো অবস্থান নয়। এ বিষয়ে তিনি মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে জানান।
ফাহমি ফাদজিল বলেন, ‘বাংলাদেশের একজন প্রতিমন্ত্রী কর্মী নেওয়ার বিষয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা নিয়ে আমি মানবসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমাকে জানানো হয়েছে, এটি ওই প্রতিমন্ত্রীর নিজস্ব বিবৃতি, বাংলাদেশ সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নয়।’ এর আগে মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দাবি করেছিলেন যে, সেপ্টেম্বরের শেষ দিক থেকে ধাপে ধাপে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে। বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার শুহাদা ওসমানের সঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আব্দুল মঈন খানের বৈঠকের পর তিনি এ কথা জানিয়েছিলেন।
অন্যদিকে, মিয়ানমারের শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন ইস্যুতেও কথা বলেছেন ফাহমি ফাদজিল। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের উদ্বেগের প্রেক্ষিতে তিনি জানান, মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসানের তথ্যমতে, স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন কর্মসূচির প্রথম ধাপে ১ হাজার ৪৭৬ জন শরণার্থী মিয়ানমারে ফিরে যেতে সম্মতি জানিয়েছেন। তারা এ সংক্রান্ত নথিতে স্বাক্ষরও করেছেন।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের হেফাজতে থাকা ১০ হাজারের বেশি মিয়ানমারি শরণার্থীর মধ্য থেকে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৫ হাজার জনের একটি তালিকা যাচাই-বাছাই করে মিয়ানমার দূতাবাসে পাঠিয়েছিল। সেই তালিকা থেকে মিয়ানমার সরকার ১ হাজার ৪৭৬ জনকে ফেরত নিতে রাজি হয়েছে। ফাহমি আরও জানান, মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে, প্রত্যাবাসন করা এসব শরণার্থীরা মিয়ানমারে নিরাপদে থাকবেন এবং তাদের কোনো ক্ষতি হবে না।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০