
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত দুটি সার্ভিস সেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। বুধবার সকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সেতু দুটির উদ্বোধন করেন। দুই লেনবিশিষ্ট প্রতিটি সেতুর দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার। তুরাগ নদের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বজায় রাখার লক্ষ্যে এই সেতুগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার যানজটমুক্ত যোগাযোগ নিশ্চিত করবে। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এক সময় প্রকল্পটি স্থবির হয়ে পড়লেও বর্তমান সরকারের উদ্যোগ ও বরাদ্দে এটি পুনরায় কার্যকর হয়েছে। প্রকল্পের কাজের গতি ও মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি জানান, গত ছয় মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে প্রকল্পের প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তুরাগ নদের পানিপ্রবাহ নির্বিঘ্ন রাখতে আশুলিয়া বাজার থেকে ধউর বেড়িবাঁধ পর্যন্ত বিদ্যমান সড়কটি সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। ফলে নতুন সার্ভিস সেতুগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে টোল ছাড়াই তুরাগ নদ পারাপার সম্ভব হবে। প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, এক্সপ্রেসওয়ের মূল চার লেনে টোল নেওয়া হলেও আজ চালু হওয়া সার্ভিস সেতুগুলোতে চলাচলের জন্য কোনো টোল দিতে হবে না।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবহন চালকরা এই সেতু চালুর ফলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার জানান, সেতু দুটি উন্মুক্ত হওয়ায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে। প্রাইভেটকার চালক আকাশ মিয়া বলেন, আগে যানজটের কারণে যে সময় লাগত, এখন তা অনেকটাই কমে আসবে।
উল্লেখ্য, রাজধানীর প্রবেশদ্বার আশুলিয়া হয়ে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০২২ সালের ১২ নভেম্বর প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু হয়। নানা জটিলতায় শুরুতে ধীরগতি থাকলেও বর্তমানে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭২ শতাংশে পৌঁছেছে। তবে দ্বিতীয় সংশোধনীতে প্রকল্পের ব্যয় ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ২৭ হাজার ৪৫ দশমিক ৬৭ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। সংশোধিত নকশায় বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের সঙ্গে সংযোগ ও বাইপাইলে তিনতলা ‘ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ’ নির্মাণের পরিকল্পনা যুক্ত করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের আরও একটি বড় অংশ চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কর্তৃপক্ষ। চাকরির আরও তথ্য: একইসঙ্গে ঢাকার চারপাশের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিমের যোগাযোগব্যবস্থায় নগরের অ্যাট-গ্রেড সড়ক ব্যবহার না করেই এলিভেটেড ওয়ের মাধ্যমে পারাপারের সুযোগ তৈরি হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি আরও বলেন, আমার জানা এবং দেখা মতে, যত প্রকল্প বাস্তবায়ন হতে চলেছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এটি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেই অবস্থা থেকে প্রকল্পটি কার্যকর করার জন্য যেসব বরাদ্দ ও উদ্যোগ নেওয়া দরকার, এই সরকার তা নিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মন্ত্রী বলেন, আমি খুশি হয়েছি এই প্রকল্পের মান এবং এর বাস্তবায়নের তড়িৎগতিতে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাড়ে তিন বছর আমরা এই প্রকল্পের এক্সটেনশন করেছি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০