ভারতের জি-বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা-২০১৯’-এর মঞ্চ থেকে লাইমলাইটে আসেন তরুণ গায়ক মাইনুল আহসান নোবেল। চমৎকার গায়কী দিয়ে দ্রুতই দর্শক-শ্রোতাদের মন জয় করলেও ক্যারিয়ারের শুরুতেই নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। একটা সময় ভক্তরা তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। মূলত গানের চেয়ে মাদককাণ্ড, নারীঘটিত নানা অভিযোগ ও মামলা-মোকদ্দমার কারণেই বারবার নেতিবাচক খবরের শিরোনাম হয়েছেন এই শিল্পী। ভারতের জি-বাংলার রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা-২০১৯’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সবার নজর কাড়েন সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। প্রথম দিকে ভক্তরা তার পক্ষে দাঁড়ালেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা দূরে সরে যেতে থাকেন। অনেকে গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলকে বিতর্কের অপর নাম বলে থাকেন।
নিজের এই এলোমেলো ও অস্থির জীবনের পেছনে বিপুল অর্থ এবং অল্প বয়সের অপরিপক্বতাকে দায়ী করেছেন নোবেল। তিনি জানান, সারেগামাপায় অংশ নিয়ে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর তার দুহাতে টাকা আসতে শুরু করে। সে সময়ে প্রতি মাসে তার আয় হতো ৪০, ৫০ এমনকি ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত। মাত্র ২৪-২৫ বছর বয়সে ব্যাংকে কয়েক কোটি টাকা জমা হওয়ায় নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন তিনি। নোবেলের ভাষ্যমতে, কোটি টাকা থাকলে ওই বয়সে মাথা ঠিক রাখা কঠিন এবং এই অর্থই মূলত তাকে অস্থির করে তুলেছিল। খুব অল্প বয়সে অধিক টাকা পেয়ে নিজেকে সামলে রাখতে পারেননি নোবেল।
অতীতের সেই অন্ধকার অধ্যায় পেরিয়ে গত ১০ মাসে নোবেলের জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে তার ছেলের জন্মের পর থেকে বদলে গেছে জীবনযাপনের ধরন। এখন গান এবং সন্তানকে ঘিরেই তার সব ব্যস্ততা। নোবেল বলেন, “আমি এখন ওসব থেকে একেবারে দূরে। বলতে পারেন, এখন ছেলেই আমার আসল পিনিক। ওকে নিয়ে আমার সময় কাটে। কী দারুণ সব গান হচ্ছে!” ছেলে জন্মের পর থেকেই এই বদলের শুরু।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০