প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী নাসিমা খান ৮২ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের শুরুর দিকের অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন নাসিমা খান।
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও অভিনেতা সনি রহমান জানিয়েছেন, বর্তমানে নাসিমা খানের মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। তার বড় ছেলে শাবাব নাসিম রহমান যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। মায়ের প্রয়াণের সংবাদ পেয়ে তিনি দেশের পথে রওনা হয়েছেন। শাবাব দেশে ফেরার পর আগামী বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর মরহুমার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, অভিনেত্রীর ছোট ছেলে নাবিল নাছির রহমান কুশল দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই ছেলের কারো সঙ্গেই শেষ সময়ে দেখা করতে পারেননি। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র।
১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ সিনেমার মাধ্যমে রূপালি পর্দায় যাত্রা শুরু করেছিলেন নাসিমা খান। এরপর ১৯৬১ সালে ‘যে নদী মরু পথে’ চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে কাজ করে দর্শকদের নজর কাড়েন। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আজীবন সদস্য নাসিমা খান তার বর্ণিল কর্মজীবনে ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘উজালা’, ‘বেগানা’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝন’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হু’, ‘দুই ভাই’, ‘গৌরী’, ‘আমার বৌ’ ও ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’-এর মতো অসংখ্য নন্দিত সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড়পর্দায় অভিষেক হয় তার।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০