
এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা দ্বিতীয় হারের স্বাদ পেল রাজশাহী স্টারস। মালয়েশিয়ার সাবাহ এফসির কাছে ২-১ গোলে হেরে আসর থেকে দলটির দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে। গোলাম রব্বানীর শিষ্যরা এর আগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইস্ট বেঙ্গলের কাছে ৪-০ গোলে পরাজিত হয়েছিল। অন্যদিকে, সাবাহ এফসি নিজেদের প্রথম ম্যাচে গুয়ামের রোভার্স এফসিকে ১৩-০ গোলে বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছিল। আগামী ২৩ আগস্ট একই মাঠে রোভার্স এফসির বিপক্ষে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ খেলবে রাজশাহী।
ম্যাচের শুরু থেকেই রাজশাহী স্টারসের পারফরম্যান্সে জাতীয় দলের ১৬ জন খেলোয়াড় থাকা সত্ত্বেও তাদের পরিচিত ছন্দের অভাব ছিল। লিকাস স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে দলের খেলায় পরিকল্পনার ছাপ কম ছিল এবং পাসিংয়েও ভুল পরিলক্ষিত হয়েছে। ৪২ মিনিটে সাবাহ এফসি গোছানো আক্রমণের মাধ্যমে প্রথম গোলটি আদায় করে নেয়। এঞ্জি হেকিমা দুই খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধে সাবাহ গোলমুখে ছয়টি শট নেয়, যার মধ্যে তিনটি ছিল লক্ষ্যে।
দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেও সাবাহ রক্ষণভাগ আরও শক্তিশালী করে তোলে। ৫৫ মিনিটে মারিয়া মান্দার দূরপাল্লার শট সাবাহর গোলরক্ষক আসমা সহজেই গ্লাভসে বন্দি করেন। ৬৮ মিনিটে মনিকা চাকমার বাড়ানো লম্বা পাস তহুরার কাছে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। ৮০ মিনিটে সাবাহর ফরোয়ার্ড এঞ্জি হেকিমা দ্বিতীয় গোলটি করেন। বিমলা বিকে ও আফঈদা খন্দকারকে কাটিয়ে নেওয়া তার শটটি গোলরক্ষক রুপনা চাকমা আটকাতে ব্যর্থ হন, যা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি সাবাহর হাতে তুলে দেয়।
ম্যাচের ৮৭ মিনিটে মোসাম্মৎ সুলতানা ডি-বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক লং শটে গোল করে ব্যবধান কমান। তবে এই গোলটি কেবল হারের ব্যবধানই কমাতে পেরেছে, ম্যাচের ফলাফল বদলাতে পারেনি। এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম দুই আসরে বাংলাদেশের কোনো ক্লাব অংশ নেয়নি। এবার তৃতীয় আসরে বাংলাদেশ নারী ফুটবল লিগের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে প্রথমবারের মতো এশিয়ার ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ এই প্রতিযোগিতায় খেলছে রাজশাহী। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জাতীয় দলের ১৬ খেলোয়াড় রাজশাহীর স্কোয়াডে থাকলেও মাঠে তাদের সেই পরিচিত ছন্দে দেখা যাচ্ছে না। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: প্রথম ৪৫ মিনিটে বাংলাদেশের ক্লাবটির গোলমুখে ছয়টি শট নেয় তারা, যার তিনটি ছিল লক্ষ্যে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তহুরা, মারিয়া, মনিকারা কি তবে নিজেদের চেনা খেলাটাই ভুলে গেলেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দু-একবার সাবাহর গোলমুখে পৌঁছালেও রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অন্যদিকে সাবাহ একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত রেখেছে রাজশাহীর রক্ষণকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রাজশাহীর আক্রমণের ধারও কমতে থাকে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শটে তেমন জোর ছিল না; কিন্তু রাজশাহীর গোলকিপার রুপনা চাকমা বলটি আটকাতেই পারেননি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০