
ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপে পোর্টসমাউথের মাঠে বুধবার রাতে নাটকীয় লড়াই শেষে ৩-২ গোলে হেরেছে শেফিল্ড ইউনাইটেড। এই ম্যাচে বাংলাদেশ জাতীয় দলের মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীর পাওয়া বিতর্কিত লাল কার্ডটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। ম্যাচের পরিস্থিতি পুরো উল্টে যাওয়ার পেছনে রেফারির এই সিদ্ধান্তকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন শেফিল্ড কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার। ফ্র্যাটন পার্কে লড়াইয়ের ৫৪ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়লেও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল শেফিল্ড। তবে শেষ পর্যন্ত রক্ষণভাগের ভুল এবং বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে জয় পাওয়া হয়নি তাদের।
ম্যাচের মোড় মূলত প্রথমার্ধের শেষ ভাগে ঘুরে যায়। ৪৪ মিনিটে পোর্টসমাউথের উইঙ্গার রায়ান কাভুমা-ম্যাককুইনকে ফাউল করার অভিযোগে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন হামজা। মাত্র ৯ মিনিটের ব্যবধানে দুটি হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় এই মিডফিল্ডারকে, যার ফলে প্রায় পুরো একটি অর্ধ ১০ জন খেলোয়াড় নিয়ে লড়াই করতে বাধ্য হয় শেফিল্ড। ম্যাচ শেষে রেফারি অলিভার ল্যাংফোর্ডের নিরপেক্ষতা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন তোলেন শেফিল্ডার কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার। তার দাবি, রায়ান যখন নাটমেগ বা পায়ের ফাঁক দিয়ে বল বের করার চেষ্টা করছিলেন, তখন হামজার সাথে সামান্য ধাক্কা লেগে তিনি পড়ে যান।
ওয়াইল্ডার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হামজা কোথায় যাবে? সে কি অদৃশ্য কোনো চরিত্র যে হুট করে মিলিয়ে যাবে? রেফারি প্রথমে লাল কার্ড না দেখানোর ইঙ্গিত দিলেও প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের চাপে পরে সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন বলে ওয়াইল্ডার অভিযোগ করেন। এছাড়াও ম্যাচের শেষ মুহূর্তে শেফিল্ডের এক খেলোয়াড়ের জার্সি টেনে ধরার ঘটনায় রেফারি কোনো সাড়া দেননি, যা কোচের বিরক্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ওয়াইল্ডারের মতে, এই ধারাবাহিকতাহীন সিদ্ধান্তগুলো দলের জয়ের স্বপ্ন চূর্ণ করে দিয়েছে। চলতি মৌসুমে শেফিল্ডের হয়ে এখন পর্যন্ত ৩টি ম্যাচ খেলেছেন হামজা, যেখানে কোনো গোলের দেখা পাননি তিনি। এই পরাজয়ের ফলে ১০ ম্যাচ শেষে ১২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার ১৫ নম্বরে রয়েছে শেফিল্ড ইউনাইটেড।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০