নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনার ২১ ঘণ্টা পরও চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সোনামই এলাকায় আমান সিমেন্ট কারখানা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে ১৪ জন যাত্রীসহ ট্রলারটি ডুবে যায়। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল পুরোদমে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে, যা পানির নিচে ক্যামেরা ব্যবহার করে চালানো হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে যাওয়ার পথে ট্রলারডুবির পর ২১ ঘণ্টা পার হলেও একই পরিবারের নিখোঁজ ৪ জনের সন্ধান মেলেনি।
দুর্ঘটনার পর রায়েশা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান দিগন্ত। বর্তমানে নিখোঁজ রয়েছেন একই পরিবারের সদস্য হেলাল উদ্দিন (৫৫), তার ছেলে সজীব (২৪), ছোট ছেলে সামিন (৫) এবং মেয়ে সামিয়া (১৭)।
সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরী জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে ট্রলারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। খবর পেয়ে বিকেল ৪টা ৫০ মিনিট থেকে শুরু হওয়া উদ্ধার অভিযান রাত ৩টা পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার ভোরে আবার উদ্ধারকাজ শুরু হয়। অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি কোস্টগার্ড, বিআইডব্লিউটিএ এবং স্থানীয়রা সহযোগিতা করছেন।
বৈদ্যেরবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক শাহ কামাল জানিয়েছেন, কুমিল্লার হোমনা থেকে ট্রলারযোগে ১৪ যাত্রী গরু ও খাসিসহ বিয়ের অনুষ্ঠানে আসছিলেন। মেঘনা নদী পার হওয়ার সময় ঝড়ের কবলে পড়ে নৌযানটি ডুবে যায়। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে অন্য ট্রলারের সাহায্যে কয়েকজনকে উদ্ধার করেন। জীবিত উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে একই পরিবারের শিরিন বেগম (৪৫) ও তার মেয়ে লামিয়া আক্তার রয়েছেন; আহত কয়েকজনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে দুটি গরু ও একটি খাসি ছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হারিয়া এলাকার সাজিয়া আক্তার ও শিশিরের বিয়েতে অংশ নিতে স্বজনরা কুমিল্লার হোমনা থেকে ট্রলারে করে সোনারগাঁয়ের হারিয়া এলাকায় আসছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০