
সিঙ্গাপুরের সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য জীবনসঙ্গী খোঁজার প্রক্রিয়াকে সহজ করতে নতুন একটি প্রযুক্তিগত সেবা চালু করা হয়েছে। দেশটির সরকারি প্রযুক্তি সংস্থা 'গভটেক' নাগরিকদের জাতীয় ডিজিটাল পরিচয়পত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে একক বা অবিবাহিত কর্মকর্তাদের এই বিশেষ সুযোগ দিচ্ছে। দ্য স্ট্রেইটস টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যে 'ফার্স্টডেট' নামে একটি পাইলট প্রকল্প শুরু হয়েছে, যা সরকারি কর্মকর্তাদের সম্ভাব্য জীবনসঙ্গী খুঁজে পেতে সহায়তা করবে। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ: ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি ও যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত, ১৪ নেতা বহিষ্কার। পাকিস্তানের কাছে হেরে সোনার স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের। মেসিকে ছাড়া একই পরিচয়ে খেলাই স্কালোনির চ্যালেঞ্জ। মেসিকে ছাড়া নতুন যুগের শুরু, বলিভিয়াকে উড়িয়ে দিল আর্জেন্টিনা।
এই প্রকল্পে ২০১২ সালে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত একটি বিশেষ অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মূলত ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত পছন্দ, মূল্যবোধ ও স্বভাবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে সক্ষম। ব্যবহারকারীর প্রোফাইল কেবল তার পছন্দের সঙ্গে মিলে যাওয়া সঙ্গীরাই দেখতে পাবেন। একবার ম্যাচিং সফল হলে উভয় পক্ষের ফোনে এসএমএস পাঠানো হবে এবং সম্মতির জন্য তিন দিন সময় দেওয়া হবে। তবে এই পদ্ধতিতে প্রতিবারই সঙ্গী পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। এই সেবায় যে অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হয়েছে, সেটির মাধ্যমে প্রতি ম্যাচমেকিংয়ে ব্যবহারকারী একজন সঙ্গীর খোঁজ পাবেন, যার সঙ্গে ম্যাচিং স্কোর, বিবরণ ও একটি ব্যক্তিগত বার্তা থাকবে। ২০১২ সালে নোবেল পুরস্কার পাওয়া এই অ্যালগরিদমের মূল ভিত্তি হলো, একজন মানুষ যে বৈশিষ্ট্যের মানুষ পছন্দ করেন, তাদের মধ্যে সবচেয়ে উপযুক্ত মানুষটিকে খুঁজে নেওয়া। গভটেকের এই প্রকল্পের আওতায় সম্ভাব্য সঙ্গী বা 'কাপল' হিসেবে মিলে যাওয়া দুই ব্যবহারকারীর কাছে এসএমএস যাবে এবং তারা এতে সম্মতি জানাতে ৩ দিন সময় পাবেন। প্রতিটি ম্যাচের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের একটি প্রতিক্রিয়া জরিপ পূরণ করতে হবে, যেখানে তাদের সরাসরি দেখা হয়েছে কি না সে বিষয়েও প্রশ্ন থাকবে।
সিঙ্গাপুরে বিয়ের হার কমে যাওয়া এবং দেরিতে বিয়ের প্রবণতা মোকাবিলা করতেই সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। এর আগে জন্মহার বাড়াতে সরকার বাবা-মায়ের জন্য আর্থিক সহায়তা ও ছুটির সুযোগ বৃদ্ধি করেছিল। অতীতে ১৯৮৪ সালে শিক্ষিত অবিবাহিতদের যোগাযোগের সুযোগ দিতে 'সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ইউনিট' (এসডিইউ) গঠন করা হয়েছিল, যা নাচ ও ভ্রমণের মাধ্যমে আলাপ-পরিচয়ের ব্যবস্থা করত। তবে আধুনিক ডেটিং অ্যাপের জনপ্রিয়তার কারণে এসডিইউ তাদের কার্যক্রম পরিবর্তন করেছে।
এশিয়ায় জন্মহারের সংকট সমাধানে অন্য দেশগুলোও এমন উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২৪ সালে টোকিও মেট্রোপলিটন সরকার নিজস্ব ডেটিং অ্যাপ চালু করেছে। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়াতেও স্থানীয় সরকারগুলোর উদ্যোগে ডেটিং উৎসব আয়োজন ও বিয়ের জন্য আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার চর্চা রয়েছে। সিঙ্গাপুরের এই নতুন উদ্যোগটি মূলত সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সামাজিক সংযোগ আরও সুগম করার একটি ডিজিটাল প্রয়াস।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০