
বৃহস্পতিবার রাতে জাতীয় সংসদে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপনের ঠিক আগ মুহূর্তে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা ওয়াকআউট করেছেন। বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও গুম প্রতিরোধ সংক্রান্ত আইন এবং হস্তান্তর সম্পত্তি (সংশোধন) বিল, ২০২৬।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বিলগুলো উত্থাপনের তীব্র বিরোধিতা করে ফ্লোর নেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবারের কার্যসূচি মূলত বেসরকারি সদস্যদের (প্রাইভেট মেম্বার) কার্যাবলীর জন্য নির্ধারিত থাকে। এই দিনে মন্ত্রীদের বিল উত্থাপন করা যায় কি না, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন, একাধিক বেসরকারি বিল বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও মন্ত্রীদের বিল এনে সংসদ সদস্যদের অধিকার ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে। তিনি এটিকে ভালো দৃষ্টান্ত নয় বলে মন্তব্য করেন এবং এই আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানান।
সরকারের সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, গণভোটের রায় অনুযায়ী 'সংবিধান সংস্কার পরিষদ' গঠন করা হয়নি। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, বর্তমান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংস্কারের মূল দাবিকে চাপা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, 'সংসদকে একপেশে করে ফেলা হচ্ছে। আমরা এভাবে খণ্ডিত সংস্কারের অংশ হতে চাই না।' এরপর বিরোধী দলের সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।
তাদের ওয়াকআউটের পর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, 'ওয়াকআউট করার স্বাধীনতা আপনাদের আছে। তবে সংসদের ভেতরে আলোচনা করা জরুরি। বিতর্কের মাধ্যমেই জাতি পরিচালিত হয়, তাই আমি আপনাদের বসার অনুরোধ করছি।'
পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, 'সংসদকে প্রাণবন্ত রাখা আমাদের দায়িত্ব। তুচ্ছ বিষয়ে ওয়াকআউট করা উচিত নয়। সরকারি ও বিরোধী দলের সব তর্ক-বিতর্ক ও সিদ্ধান্তের মীমাংসা সংসদ কক্ষের ভেতরেই হওয়া প্রয়োজন।' প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ‘শাহবাগে বক্তৃতা আর পার্লামেন্টে বক্তৃতা এক নয়,’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে সংসদে হট্টগোল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বেসরকারি সদস্যদের দিনটি শুধু তাদেরই প্রাপ্য।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০