
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় अज्ञातনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা হয়েছে। সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মনির হোসেন নগরের মতিহার থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন। হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ মৃত্যু, মোট ১১২৮। চিকিৎসায় নোবেল পেলেন কার্ল ডাইসেরথ, পিটার হেগেমান ও গেয়র্গ নাগেল।
মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কবির মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, अज्ञातনামাদের নামে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র গাজীউর রহমানও একই সুর মিলিয়ে বলেন, তদন্তে কারো সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্যান্সার জয় করে দলে ফেরা, ঘোর কাটছে না ম্যাডিনসনের। আমরা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’।
তবে হামলার ঘটনাটি স্পষ্ট হওয়া এবং ভিডিও ফুটেজ থাকার পরও মামলায় কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম না থাকায় ক্ষোভ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা। রাবি সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি ইরফান তামিম এ বিষয়ে বলেন, হামলার ঘটনা গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে এসেছে এবং ভিডিও ফুটেজও সবার কাছে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আসামিদের নাম উল্লেখ না করা অত্যন্ত হতাশাজনক।
রাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি আশিকুল ইসলাম ধ্রুবও একই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, হামলাকারীদের পরিচয় সবার জানা এবং এ সংক্রান্ত পর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে। তিনি অবিলম্বে দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তাদের নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। এছাড়াও তিনি অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান।
রবিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নূর এহসান মৃদুল, আগামীর সময়ের জাহিদুল ইসলাম, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আরিফুজ্জামান কোরবান এবং সমকালের মাইনুল ইসলাম রাজু। রাবিতে ছাত্রদলের হামলায় প্রতিনিধিসহ আহত ১০। রাবিতে হামলা প্রসঙ্গে টিআইবি / ‘রাজনৈতিক পরিচয় যেন অপরাধের সুরক্ষাকবচ না হয়’।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এই হামলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোমবার সকালে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। এছাড়া ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও হামলাকারীদের বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।
এদিকে, এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিবেশ স্বাভাবিক রাখা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করার লক্ষ্যে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি উঠেছে সব মহল থেকে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০