
যুক্তরাজ্যের গ্লস্টারশায়ারে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত রয়্যাল এয়ার ফোর্স (আরএএফ) ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটির অদূরে গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচ ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিয়েছে ব্রিটিশ পুলিশ। সোমবার ব্রিটিশ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জামিনে মুক্তি পেলেও তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কাউন্টার টেররিজম পুলিশিংয়ের প্রধান সহকারী কমিশনার লরেন্স টেলর জানিয়েছেন, মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিরা বেশ কিছু কঠোর শর্ত মেনে চলতে বাধ্য। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় বিস্ফোরক রাখা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। যুক্তরাজ্যে বিমানঘাঁটির কাছ থেকে গ্রেপ্তার ৫ জন জামিনে মুক্ত, বিস্মিত ট্রাম্প। বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এমনটি জানানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার পাঁচজনই ব্রিটিশ নাগরিক এবং তাদের বয়স বিশের কোঠায়। গত রোববার বিমানঘাঁটির কাছে তিনটি সন্দেহজনক সাদা ভ্যান দেখা যাওয়ার পর থেকেই ব্রিটিশ কাউন্টার-টেরর পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করে। এই ঘটনার সাথে কোনো বিদেশি শক্তি জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গ্লস্টারশায়ারের এই বিমানঘাঁটিটি যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলার কাজে ব্যবহার করে আসছে। ইরানের পক্ষ থেকে অবশ্য আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটির বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ স্পষ্টভাবে নাকচ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার পাঁচজনই ব্রিটিশ নাগরিক, তাদের বয়স ২০-এর কোঠায়। গত রোববার ভোরে ওই ঘাঁটিতে নিরাপত্তা সতর্কতা জারির পর তেহরান এই বিবৃতি দেয়।
পাঁচজনকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্তে গভীর বিস্ময় প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে এক বক্তৃতায় তিনি বলেন, তিনি ক্ষমতায় থাকলে এমনটি করতেন না এবং এই মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি তার কাছে অপ্রত্যাশিত। এর আগে পাঁচজন গ্রেপ্তারের ঘটনায় ট্রাম্প সেটিকে পুলিশের ‘দারুণ কাজ’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। এদিকে, গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তির পরপরই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পেতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নাম শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন। ‘আমি হলে এমনটি করতাম না’, যোগ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যে বর্তমানে স্বাস্থ্য খাতে ৩৫ হাজার পদে দ্রুত নিয়োগের সরকারি উদ্যোগ চলছে এবং মাঠপর্যায়ের ৪০ শতাংশ পদ এখন শূন্য। একইসাথে প্রশাসনকে সুশৃঙ্খল করতে ডিজিটাল হাজিরা ও তদবিরের শাস্তিসহ মোট ২৩টি নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এছাড়া ঢাকা মনোরেল প্রকল্প এবং রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি চালান অক্টোবর পর্যন্ত পেছানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সিদ্ধান্তও আলোচিত হচ্ছে। অন্যদিকে, চাগোস দ্বীপপুঞ্জ চুক্তি পর্যালোচনার পথেও হাঁটছে যুক্তরাজ্য, কারণ এ বিষয়ে ট্রাম্পের সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে না। ঢাকায় মনোরেল চালুর পথে সরকারের প্রথম উদ্যোগ। প্রশাসনকে সুশৃঙ্খল করার উদ্যোগ / ডিজিটাল হাজিরা, তদবিরে শাস্তিসহ ২৩ নির্দেশনা সরকারের।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০