
মিয়ানমারের মান্দালয় বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার ঘটনায় বিমানবন্দরটির কার্যক্রম দুই দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির দ্বিতীয় ব্যস্ততম এই বিমানবন্দরটি শুক্রবার থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, বিমানবন্দর ভবনের কিছুটা দূরে বিস্ফোরণটি ঘটেছে। তবে নিরাপত্তার খাতিরেই কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মান্দালয় বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ যাতায়াতের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। বেসামরিক বিমান চলাচল পর্যবেক্ষণকারী বিভিন্ন সংস্থার দাবি, এই বিমানবন্দরের রানওয়ে প্রায়ই যুদ্ধবিমান ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা থেকে সরকার নিয়মিত বিমান হামলার সূচনা করে থাকে। তবে সরকারি বিবৃতিতে এটিকে একটি অসামরিক স্থাপনা হিসেবে দাবি করা হয়েছে।
মিয়ানমারের বড় শহরগুলোতে বিদ্রোহীদের হামলা স্বীকার করে নেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল, কারণ এসব এলাকা সাধারণত সামরিক বাহিনীর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তবে বৃহস্পতিবারের ড্রোন হামলার পর সরকার পক্ষ থেকে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং এর দায় গণতন্ত্রপন্থি গেরিলাদের ওপর চাপানো হয়েছে। পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর হিসাব অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে এই সংঘাতের ফলে দেশটিতে এক লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
বর্তমানে বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও সামরিক বাহিনী উভয়ই ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। চীন ও রাশিয়ায় তৈরি যুদ্ধবিমান সমৃদ্ধ সরকারি বিমানবাহিনী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে প্রতিহত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও মিয়ানমারের উল্লেখযোগ্য ভূখণ্ড এখন বিদ্রোহীদের দখলে, তবুও সরকার নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোতে নিয়মিত হামলার ঘটনা ঘটছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ব্যবসায়ীকে ‘হত্যার পর মরদেহ লুকিয়ে’ জিডি করতে যান বন্ধু মাসুম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞার পর সুন্দরবনে গিয়ে কী দেখা গেল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ‘ভিনিসিয়ুসের সেরা সময় আসছে’ বললেন মরিনহো। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: অনেক ক্ষেত্রেই এখান থেকে সরকার বিমান হামলার সূত্রপাত ঘটায়, এমন দাবিও করেছে সংস্থাগুলো।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০