
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও যুদ্ধের প্রভাবে চরম অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে ইরান। দেশটির মুদ্রা রিয়ালের মান নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। তেহরানের মুদ্রাবাজার থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এক মার্কিন ডলার কিনতে গুনতে হচ্ছে ২৫ লাখ রিয়ালেরও বেশি। মাত্র ২৭ দিন আগে ২ সেপ্টেম্বরে এই বিনিময় হার ছিল ২২ লাখ রিয়াল। নারীদের পাচার করে নির্যাতন, ভিডিওবার্তায় জানানোর পর চক্রের হোতা গ্রেপ্তার। তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন নিয়ে পাওয়া মতামত-প্রস্তাব সংসদে আলোচনা হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ। এবার ১০ এয়ারবাস কিনতে আলোচনা করছে বিমান। আজ মঙ্গলবার দেশটির মুদ্রা রিয়ালের দামে রেকর্ড মাত্রায় দরপতন ঘটেছে। তেহরানের মুদ্রাবাজারে এখন এক মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ২৫ লাখের বেশি রিয়াল দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এপি।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরানের মুদ্রার দরে নিয়মিত বড় ধরনের পতন দেখা যাচ্ছে। ইরান ইন্টারন্যাশনালের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের জুন মাসে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘাত শুরুর আগে খোলা বাজারে এক ডলারের বিপরীতে রিয়ালের দাম ছিল প্রায় ৮ লাখ। ওই বছরের ডিসেম্বর নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ লাখ ২০ হাজার রিয়ালে। মুদ্রার এই ক্রমাগত দরপতন দেশটির ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতির একটি অন্যতম বড় সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রথম ডোজে কলেরার টিকা পেয়েছেন ৮২.৬ শতাংশ, বাদ পড়েছেন সাড়ে ৮ লাখ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের অর্থনীতি অনেক বছর ধরেই চাপের মধ্যে রয়েছে।
ইরানি অর্থনীতির এই সংকটের পেছনে মূলত দুটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে
দেশটির গণমাধ্যম জানায়, মুদ্রার মান কমে যাওয়ায় রিয়ালের ওপর সাধারণ মানুষের নির্ভরতা কমছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে, যার ফলে নির্দিষ্ট আয়ের শ্রমজীবী মানুষ—যারা মোট শ্রমশক্তির প্রায় অর্ধেক—সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হচ্ছেন। নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেতন না বাড়ায় সাধারণ মানুষের আর্থিক পরিকল্পনা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০