
আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের দায়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের আনা ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ক্রীড়া বিষয়ক সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। ৮ গোলের রোমাঞ্চ জিতে শীর্ষেই রইল ম্যানচেস্টার সিটি। ১০ জন নিয়েও হালান্ডের গোলে ইউনাইটেডকে হারাল সিটি। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: ককটেল বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে ডিএমপি কর্মকর্তা। রংপুর অঞ্চলে অ্যানথ্রাক্সের হটস্পট গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ।
দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা একটি স্বাধীন কমিশনের শুনানির পর এই রায় এসেছে, যা ইংলিশ ফুটবলে বড় ধরনের আলোড়ন তুলতে পারে। ইতিহাদ স্টেডিয়ামের ক্লাবটি আর্থিক অনিয়মের ওপর ভিত্তি করে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেছে— এমন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের সোনালী যুগের অর্জনগুলো এখন হুমকির মুখে পড়েছে। মেসির পর আর্জেন্টিনাকে নেতৃত্ব কে দেবেন, জানালেন স্কালোনি।
তবে ম্যান সিটিকে কী শাস্তি দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। ক্লাবটি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দ্রুতগতির চাকায় হারিয়ে যাচ্ছে রঙ-তুলির সেই ক্যানভাস।
২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৩ সালে ম্যান সিটির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ। অভিযোগের মধ্যে ছিল সঠিক আর্থিক তথ্য প্রদান না করা, খেলোয়াড় ও কোচদের পারিশ্রমিক গোপন করা এবং আর্থিক স্থায়িত্বের নিয়ম ভঙ্গ করা। তবে শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে ক্লাবটি।
২০০৮ সালে শেখ মনসুরের মালিকানাধীন আবুধাবি ইউনাইটেড গ্রুপের অধীনে যাওয়ার পর দলটি প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম পরাশক্তিতে পরিণত হয়। গত ১৫ বছরে তারা আটটি প্রিমিয়ার লিগ, চারটি এফএ কাপ, সাতটি লিগ কাপ এবং একটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতেছে।
২০১৮ সালে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডের স্পিগেলে কিছু নথি ফাঁস হলে মূলত সন্দেহ তৈরি হয়। ইমেইলগুলোতে দেখা যায়, সিটির শীর্ষ কর্মকর্তারা ইতিহাদ ও ইতিসালাতের স্পনসরশিপের আয় বাড়িয়ে দেখিয়েছিলেন। মূলত সরাসরি বিনিয়োগকেই স্পনসরের আয় হিসেবে দেখানোর অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া তৎকালীন ইতালিয়ান কোচ রবার্তো মানচিনিকে আবুধাবির একটি ক্লাবের পরামর্শক ফি হিসেবে গোপনে অর্থ দেওয়ার দাবিও করা হয়েছিল নথিতে। মনসুর আবুধাবির রাজপরিবারের সদস্য ও রাজনীতিবিদ।
চূড়ান্তভাবে দোষী সাব্যস্ত হলে ক্লাবটির শুধু বড় অঙ্কের পয়েন্ট কাটাই নয়, বরং প্রিমিয়ার লিগ থেকে বহিষ্কারের মতো কঠোর শাস্তিও হতে পারে। এর আগে একটি মাত্র নিয়ম ভাঙায় ২০২৩-২৪ মৌসুমে এভারটন ও নটিংহ্যাম ফরেস্টের পয়েন্ট কাটা হয়েছিল।
কঠোর শাস্তি হলে আর্লিং হালান্ড ও ফিল ফোডেনের মতো তারকা খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবগুলো সিটির জেতা শিরোপা বাতিল ও ক্ষতিপূরণের দাবি তুলতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: পায়েল হোসেন রিন্টু,
মেইল: bdnewspost5@gmail.com
মোবাইল: 01713814445
২৮-সি-৪ শাকের প্লাজা, লেভেল-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, ঢাকা-১০০০